তিনি এক ‘রাজনীতির মহান কবি’

রানা মাসুদ 

আজ এক ‘রাজনীতির মহান কবি’র কথা বলি গর্বে

সেদিন ছিল অন্যরকম উৎসব টুঙ্গিপাড়া জুড়ে

উনিশশো বিশের সতেরোই মার্চ তাই হলো ইতিহাস

‘খোকার’ নাম প্রিয় নানা দেন শেখ মুজিবুর রহমান।

 

তিনি এক হিরন্ময় মানব, দরদে পূর্ণ তাঁর কোমল বুক

মানব প্রেমের অপূর্ব মন, রচেন ছোটবেলা থেকে উদাহরণ

দুর্ভিক্ষে হাত বাড়ান সাহায্যের নিজেদের গোলা খালি করে

সমিতি করে নেমে পড়েন অভাগা-অভুক্ত মানুষের তরে।

তিনি যেন এক আজন্ম নেতা নেতৃত্ব তাঁর ললাটে।

কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে তারপর যান চলে

এখনও বেকার হোস্টেলের কক্ষে তাঁর পদচিহ্ন ইতিহাস

শুধু সেদেশে আবক্ষ ভাস্কর্যে নয় মুজিব সর্বত্র সমুজ্জ্বল।

 

ভাষা আন্দোলন থেকে তীব্র থেকে তীব্রতর দেশপ্রেম

গর্জে ওঠেন শেখ মুজিব গর্জে ওঠে যেন সারাদেশ।

তারপর কতো জল ব-দ্বীপ ঘুরে চলে যায় সাগরে

তারপর কতো আন্দোলন- সংগ্রাম শেখ মুজিবের

এরপর রচনা করেন ‘ছয় দফা’ বাঙালির মুক্তির সনদ।

শেখ মুজিব যেন অকস্মাৎ দৈবলোকিত মহামানব।

 

আরও জল প্রবাহ আরও আন্দোলন-সংগ্রাম এরপর

একাত্তরের সাত মার্চ দেশ-জাতি, পুরো বিশ্ব হতবাক!

গর্জে ওঠেন মহান নেতা উদ্যত তর্জনী যেন দিকপাল

গর্জে ওঠেন এক ‘ রাজনীতির কবি ‘ উত্তাল জনসমুদ্র

সহস্রাধিক শব্দে বর্ণিত হয় ‘ এক অনন্য রণকৌশল’

আকাশ-বাতাসে ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো ‘

অতঃপর বাঙালির শোণিতের বিন্দু বিন্দুতে পড়ে ছড়িয়ে

‘ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম

এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা ‘।

জন্মশতবার্ষিকীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

তিনি এক ‘রাজনীতির মহান কবি’

রানা মাসুদ 

আজ এক ‘রাজনীতির মহান কবি’র কথা বলি গর্বে

সেদিন ছিল অন্যরকম উৎসব টুঙ্গিপাড়া জুড়ে

উনিশশো বিশের সতেরোই মার্চ তাই হলো ইতিহাস

‘খোকার’ নাম প্রিয় নানা দেন শেখ মুজিবুর রহমান।

 

তিনি এক হিরন্ময় মানব, দরদে পূর্ণ তাঁর কোমল বুক

মানব প্রেমের অপূর্ব মন, রচেন ছোটবেলা থেকে উদাহরণ

দুর্ভিক্ষে হাত বাড়ান সাহায্যের নিজেদের গোলা খালি করে

সমিতি করে নেমে পড়েন অভাগা-অভুক্ত মানুষের তরে।

তিনি যেন এক আজন্ম নেতা নেতৃত্ব তাঁর ললাটে।

কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে তারপর যান চলে

এখনও বেকার হোস্টেলের কক্ষে তাঁর পদচিহ্ন ইতিহাস

শুধু সেদেশে আবক্ষ ভাস্কর্যে নয় মুজিব সর্বত্র সমুজ্জ্বল।

 

ভাষা আন্দোলন থেকে তীব্র থেকে তীব্রতর দেশপ্রেম

গর্জে ওঠেন শেখ মুজিব গর্জে ওঠে যেন সারাদেশ।

তারপর কতো জল ব-দ্বীপ ঘুরে চলে যায় সাগরে

তারপর কতো আন্দোলন- সংগ্রাম শেখ মুজিবের

এরপর রচনা করেন ‘ছয় দফা’ বাঙালির মুক্তির সনদ।

শেখ মুজিব যেন অকস্মাৎ দৈবলোকিত মহামানব।

 

আরও জল প্রবাহ আরও আন্দোলন-সংগ্রাম এরপর

একাত্তরের সাত মার্চ দেশ-জাতি, পুরো বিশ্ব হতবাক!

গর্জে ওঠেন মহান নেতা উদ্যত তর্জনী যেন দিকপাল

গর্জে ওঠেন এক ‘ রাজনীতির কবি ‘ উত্তাল জনসমুদ্র

সহস্রাধিক শব্দে বর্ণিত হয় ‘ এক অনন্য রণকৌশল’

আকাশ-বাতাসে ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো ‘

অতঃপর বাঙালির শোণিতের বিন্দু বিন্দুতে পড়ে ছড়িয়ে

‘ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম

এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা ‘।