মুগ্ধতা.কম

১৮ এপ্রিল, ২০২১ , ১:১৭ পূর্বাহ্ণ ; 87 Views

তরুণ তুর্কি ৪

তরুণ তুর্কি - অঙ্কনা জাহান

এই প্রতিভাবান তরুণ তুর্কির জন্ম ২০/০৯/১৯৮৮ তারিখে রংপুর সদর উপজেলার পুটিমারী গ্রামে। বাবা মোঃ আকতারুল ইসলাম পেশায় একজন ব্যবসায়ী , মা মোছাঃ রেবেকা বেগম পেশায় গৃহিণী। প্রথম লেখা প্রকাশ হয় রংপুরের সনামধন্য ‘যুগের আলো’ পত্রিকা সাহিত্য পাতায়।

——————-

‘তরুণ তুর্কি’ তে আজ প্রকাশিত হচ্ছে অঙ্কনা জাহান এর পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো।

প্রিয় বই: অনেকগুলো। একটার নাম বললে বাকি গুলোর প্রতি অবিচার করা হবে। তবে সমরেশ মজুমদারের সাতকাহন এবং তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর কবি-র প্রতি একটু আলাদা মাত্রার ভালোবাসা কাজ করে।

প্রিয় লেখক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা পড়ে বড় হয়েছি। তিনিই প্রথম সাহিত্যের প্রতি প্রেমটা জাগ্রত করেছেন।

প্রিয় খাবার: শিদল-শুটকি-কচুপাতার ভর্তা।

প্রিয় মানুষ: আমার মা। এই মানুষটার অতৃপ্তি আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতেও অনেক ভালো জায়গায় নিয়ে যাবে আশা করি।

আদর্শ মানুষ: উলফৎ আরা বেগম। কাউনিয়া উপজেলার ইউএনও ছিলেন।

প্রিয় স্থান: নানাবাড়িতে একটা পুকুর আছে। সেই পুকুর পাড়ে হারানো শৈশবকে খুঁজতে বারবার সেখানে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে।

প্রিয় মুহূর্ত: আমার এসএসসি’র রেজাল্ট এর দিন।

প্রিয় কবিতা: নির্মলেন্দু গুণের মানুষ

প্রিয় বাক্য/উক্তি: কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে।

যেমন মানুষ হতে চাই: শুধু মানুষ হতে চাই।

যে বিষয়টি পীড়া দেয়: রাগে কারো সাথে খারাপ আচরণ করলে কিছুক্ষণ পরে নিজেরই খুব খারাপ লাগে৷ কেন এমন করলাম, আর একটু ধৈর্য ধরলে কি এমন ক্ষতি হত-এইসব বিষয় অনেক পীড়া দেয়।

আগামীর পরিকল্পনা: কাধে একটা ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়ব বিশ্ব ভ্রমণে। পরিকল্পনা, ইচ্ছা বা আশা সব এই একটা।

নিজের লেখা বাছাইকৃত একটি ছড়া/কবিতা:

নিজের লেখা তেমন কোনো ছড়া নেই। তবে একটা কবিতা ভালো লাগে। তাই দিলাম।

“কচুগাছ”

অতএব আমাকে কচুগাছ ভেবেই কতল করা হল

আমিও নিঃশব্দে নিঃসাড় পড়ে রইলাম

কি আশ্চর্য! আমার শরীর থেকে কোনো-

রক্ত ঝরছে না।

হিমোগ্লোবিন কমতি বড়।

 

অথচ গায়ে ধুলো মাটি

পায়ে রক্তাক্ত ছেঁড়া চটি।

 

চটির রক্তে রাঙিয়ে গেল চারপাশ

রক্তের সাগরে আমি রক্তশুন্য লাশ,

 

আমায় আঘাত করো পারো যত

আমার হয় না জখম, হয় না ক্ষত।

 

ঝড়ের প্রকোপ, বলের প্রভাব

করতে পারিনি আঁচ

অতঃপর আমি বোধহীন প্রাণ

একটি কচুগাছ।