এই প্রতিভাবান তরুণ তুর্কির জন্ম ২০০২ সালের ৫ এপ্রিল তারিখে রংপুর ডেওডোবা ডাঙ্গীর পাড়ায়। বাবা মো.আক্তারুজ্জামান একজন ব্যবসায়ী, মা মঞ্জিলা আক্তার পেশায় গৃহিণী। প্রথম লেখা প্রকাশ হয় ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সালে, সাহিত্যের কাগজ মৌচাকে।
———————–
‘তরুণ তুর্কি’ তে আজ প্রকাশিত হচ্ছে মিকদাদ মুগ্ধ এর পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো।
প্রিয় বই: বই পড়েছি অন্যদের তুলনায় অনেক কম।কিন্তু কবি হেলাল হাফিজের “যে জ্বলে আগুন জ্বলে” কাব্যগ্রন্থ কতোবার পড়েছি হিসাব নাই।
প্রিয় লেখক: প্রিয় লেখকের তালিকা অনেক বড়ো।কমবেশি সব ধরনের লেখা পড়ি। তবে বর্তমান যুগের জনপ্রিয় লেখক সাদাত হোসাইন প্রিয় লেখকের তালিকায় শীর্ষে বলা যায়।
প্রিয় খাবার: খাওয়াদাওয়ার প্রতি অনিহা আমার।সামনাসামনি দেখা মানুষেরা জানে কঙ্কাল আর আমার মাঝে পার্থক্য খুব বেশি না। তবুও পছন্দের খাবার ভাত আর গরুর গোস্ত।
প্রিয় মানুষ: আমার বাবা। জীবনের প্রথম ভালোবাসা আমার। একটা নিঃস্বার্থ বটগাছ।বাস্তবতার উত্তাপে পুড়ে যেতাম যদি তিনি না থাকতেন। দোয়া করবেন আমার বাবার জন্য।
আদর্শ মানুষ: নিশ্চয়ই হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
প্রিয় স্থান: সময়,পরিস্থিতি হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন জায়গা প্রিয় হয়ে ওঠে। ইদানীং যেকোনো মসজিদের ভিতরে শান্তি লাগে। আর টাউন হল প্রিয় স্থানের মধ্যে অন্যতম।
প্রিয় মুহূর্ত: অনেক..তবে শেষ সুখের মুহূর্ত ছিল এই বছরেরই ১লা মার্চ।
প্রিয় কবিতা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’।
প্রিয় বাক্য/উক্তি: চাক ঘর জানে, দেহের ভিতর মনের কোনো অস্তিত্ব নেই- কবি মিনার বসুনিয়া।
যেমন মানুষ হতে চাই: মানুষ হয়ে উঠি আগে, তারপর যেমন-তেমন।
যে বিষয়টি পীড়া দেয়: আমি নিজেই নিজেকে সহ্য করতে পারি না মাঝেমধ্যে। আমার সাথে আমার একটা দূরত্ব হয়ে গেছে, এটাই এখন সমস্যা।
আগামীর পরিকল্পনা: কোনো পরিকল্পনা নাই, কোনো পরিকল্পনা করবো না। আল্লাহ ভরসা..
মিকদাদ মুগ্ধ
জুতা ছিঁড়ে গেলো
আমি বোকার মতো পথে বসে রইলাম,
জুতা যে আমারে হাঁটায় না
পা দু’টো হারিয়ে, তারপর বুঝলাম।