কবিতা প্রথম অংশ Archives - মুগ্ধতা.কম

কবিতা প্রথম অংশ Archives - মুগ্ধতা.কম

মুগ্ধতা.কম

২৪ মে, ২০২১ , ১১:৪৮ অপরাহ্ণ

মুগ্ধতা.কম

২৪ মে, ২০২১ , ১১:৪৫ অপরাহ্ণ

ফিলিস্তিন শিশুরা একদিন

আল আকসার আজানের ধ্বনি শুনে

যে শিশুরা জন্ম নেয় ফিলিস্তিন ভূ-খণ্ডে

তাদের জন্মক্ষণ শুরু হয় শূন্য থেকে।

 

মা মা বলে ডাক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুরা জানতে পারে-

তারা নিজ ভূমে অবরুদ্ধ জন্ম থেকে।

 

যুদ্ধে তারাও অংশ নেয় মাতৃভূমি উদ্ধারে  স্বপ্নবাজ শিশুরা স্বপ্ন বুনে স্বাধীনতার।

 

নিশ্চিত করে বলা যেতে পারে –

ইসরাইলি আগ্রাসীরা একদিন যুদ্ধ নয়,

শান্তির কাছে নতজানু হবে।

 

আরও নিশ্চিত করে বলা যেতে পারে –

ফিলিস্তিন শিশুদের জন্মক্ষণ শুরু হবে না শূন্য থেকে।

 

একদিন ফিলিস্তিন শিশুরা

জলপাইয়ের ছোট ছোট ডাল-পাতা হাতে নিয়ে পশ্চিমতীরে উল্লাসে নাচবে…

গাইবে গান।

তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হবে – ইয়াসির, ইয়াসির, ইয়াসির …

তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হবে –

ইবনে মাজেদ, ইবনে মাজেদ, ইবনে মাজেদ…

তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হবে-

দারবিশ দারবিশ, দারবিশ…

আমরা জয়তু।

 

জর্দানের কুলকুল ধ্বনিতে মিশে যাবে জলপাইয়ের সুঘ্রাণ।

কবিতা - ফিলিস্তিন শিশুরা একদিন
402 Views

মুগ্ধতা.কম

২৪ মে, ২০২১ , ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

মেহমুদের অপেক্ষা

মেহমুদের বাবা গেছেন আল আকসায় নামাজে

একাকী বসে আছে শরনার্থী ক্যাম্পে মেহমুদ

চিরনিদ্রায় শুয়ে আছে মরুর নিচে ওর মা জননী;

মেহমুদের বাবা গেছেন আল আকসায় নামাজে।

 

মেহমুদের বোনটা ছিল প্রতিবাদী মিছিলে

মাত্র দশ বছর বয়সেই স্লোগান শিখেছিল সে

ও জানে শুধু ঘরটাই নয় দেশটাও নিয়েছে ছিনিয়ে;

মেহমুদের বাবা গেছেন আল আকসায় নামাজে।

 

মেহমুদের বড় ভাইটা বড়ই হলোনা দুনিয়ায়

ফিলিস্তিন যে তাদের তা শুধু শুনেই আসছে

পশ্চিম তীর নিয়ে ন্যায্য দ্রোহ করতে উচ্চারণ

ইসরাইলী বুট উঠে আসে তার কন্ঠায়।

মেহমুদের বাবা গেছেন আল আকসায় নামাজে।

 

আল আকসা একটা পবিত্র মসজিদ মেহমুদ জানে,

শুকনো চাপাতি আর খেজুর দিয়ে করে সাহারি

মেহমুদের বাবা গেছেন আল আকসায় নামাজে

যখন ধ্বনিত হচ্ছিল ‘আসসালাতো খায়রুন মিনান নাওম’

ও বোঝেনা কেন পবিত্র মসজিদে ইসরাইলি হামলা হলো?

মেহমুদ অপেক্ষায় কখন বাবা ফিরবেন নামাজ থেকে।

কবিতা - মেহমুদের অপেক্ষা
378 Views

মুগ্ধতা.কম

২৪ মে, ২০২১ , ১১:৩৪ অপরাহ্ণ

ক্ষমা করো আমাকে নিভৃত মন

নৈসর্গিক সন্তরনের ভেতর থেকে দেখতে চাই না ফিলিস্তিনে পুড়ে যাচ্ছে অগুনতি দরজা, জানালা, নরম বালিশের খোল – পুড়ে যাচ্ছে রান্নাঘর, ভাতের থালা, টেবুনের রুটি, সতেজ সব্জি, ঝোলের তরকারি-

লকলক করে বেড়ে ওঠা আগুনের হল্কায় দামামা বাজায় তুমুল যুদ্ধ – মেশিন গান -রকেটের বিবৃতি-

গুলির ছররা’র ভীষণ বিভাস –

উন্মত্ত ক্ষুধার নিবৃত্তি সন্ধানে অনাম্নী ঈগলের দৃষ্টি ঘুরপাক খেয়ে অর্থহীন বাঁচার আকুলতা কে নিমিষেই বানিয়ে দিচ্ছে পোড়ানো ছাই-

করজোড়ে বলছি দেখতে চাই না শিশুদের গাল বেয়ে তৈরি হচ্ছে শুকনো খটখটে  ধুলোজলে মেশানো কালো ধারা-

ক্রমাগত তাঁদের মুখে নেমে আসা ভীতসন্ত্রস্ত শূন্য চোখের আর্তি-

দেখতে চাই না ছিন্নভিন্ন দেহ পরে আছে বালিতে গড়াগড়ি করে –

দেখতে চাই না বেহায়া ধর্ষণের শিকারে ছেঁড়া বোরখার তলদেশ দিয়ে বেয়ে পড়া কালচে রক্তের উঁচু টিলা-

দেখতে চাই না কোন উষ্ণতা ছাড়াই পিতামাতার কাঁধে নিথর সন্তানের দেহভার-

 

তারপরেও দেখতে হচ্ছে খেজুর বৃক্ষের শিকড়ের ওপারেই শাদা কঙ্কাল মেখে আছে রুক্ষ বালি-

দেখতে থাকি, সফটওয়ারের ফোকাসে মনিটরের অহংকারে  মুহূর্মুহু প্রতিবন্ধী হচ্ছে, অক্ষম হচ্ছে শিশুর আশ্রয়, মায়ের আদরের রুপান্তর পাথরের অবয়বে –

এবং জীবিত প্রাণেই বরণ করে নিচ্ছে মৃত্যুর বিষন্ন পরমায়ু

অগুনতি মানুষ-

দেখতে হচ্ছে স্বজন হারানোর আর্তনাদে বুক চাপড়িয়ে কাঁদছে লোটাকম্বল আর বেদনার তিক্ততা ভরে প্রাণ ভিক্ষের ঝুলি-

 

কেন যে আল- জাজিরা, সি,এন,এন,আর্টি,সি,এন,বি,সি আর বিবিসি অনলাইনে ছড়িয়ে দেয় এইসব না চাওয়া দিন রাত্রির ভয়ংকর ছবি –

নিষেধ আসে না জাতিসংঘের বিভিন্ন  নথিপত্র থেকে –

রুদ্ধ হোক নারকীয় ঘটনা, রুদ্ধ হোক যুদ্ধ বিভীষিকা –

 

ওখানে নেই তো ঋকবানীর কাহিনিবিস্তার –

নেই রহমতের বৃষ্টি বিলাসের স্তুতি –

বরং আকাশের বিশালতা সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে পড়েছে নৈরাজ্যের ক্যারাভানে বসে থাকা আরবীয় ইতিহাসের পতাকা-

 

হে মহাবিশ্বের সৃষ্টি কর্তা-পরমকরুণাময় খোদাতায়ালা, মহানুভব আল্লাহ্, ঈশ্বরের মঙ্গল বার্তা,চারশূল বিদগ্ধ যিশুর শুদ্ধ পত্র –

 

এখনো ক্যানো গুড়ো গুড়ো হয়ে ভেঙে যাচ্ছে না বর্বরোচিত হামলার অস্ত্র সম্ভার-?

এখনো ক্যানো রোদ্দুরের তেজে কারফিউ দিচ্ছে না হিংস্র মগজে বিষের জ্বালা অধিকতর?

এখনো ক্যানো ধোঁয়াশায় নিরন্ন ফটক ক্রমাগত শকুনের  ঠোকরে জাহিলিয়াত যুগ থেকে ফিরে আসা ক্রুর থেকে আরও ক্রুর করে সুরমা আঁখি?

এখনো ক্যানো ওগো মাবুদ, এখনো ক্যানো বিস্ফারিত ভীরু চোখ কাপুরুষের গর্তে হচ্ছে রোজ বলি…?

ওগো আয়ুর পয়গামের খোদা, তুমি কি কানে বর্ম পড়ে আছো?

তুমি কি সপ্তম আসমানের উপরে শ্বেতাভ্র কূপে ডুবে দেখছো  মানবতার  খুঁটিনাটি ?

তুমি কি ফিলিস্তিনের পথে ঘাটে ঘরের কুলুঙ্গিতে আর্তচিৎকার গুলোর রক্তের মর্মরধ্বনি তুলে রাখছো মহাকাশের বুকে –

তারায় তারায় লিখে রাখছো জান্তব আক্রোশ -পাখির পালকের ওপরে গগনচুম্বী নিষ্ঠুর পদ্ধতি –

ওগো পরওয়ারদেগার – ফিলিস্তিনি কবি নজওয়ান দারবিশের মতে সব কবিরাই কি চাচীদের ভরে রাখবেন দড়িবদ্ধ থলেতে-

আপনি দেখবেন পরওয়ারদেগার, বারবার দেখবেন  থলের কোণা বেয়ে ঝরে পড়ে তাদের উষ্ণ রক্তেরা গন্তব্যহীন হয় তপ্ত শিরা উপশিরা থেকে -?

ওগো ঈশ্বরের পয়গাম – আপনারা এইসব জ্বলনশীল মনন চিন্তাকে প্রভাবিত করুন শান্ত জলের বরফখণ্ড তে-

 

জানিনা খোদা আল- আকসা মসজিদে প্রতিদিন নামাজ হয় কিনা ধ্যানগ্রস্থ ফসফরাসে –

জানিনা আজ কতোটা পথ ভিজে গেলো রক্তাক্ত আমলে –

জানিনা খোদা,কোন কোন মায়ের গর্ভে আজও কি ব্যথার সমুদ্র উথলে উঠেছে নিখোঁজ সন্তানের পবিত্র মুখ  অজর কল্পনার অরণ্যে?

কোন কোন পিতা কুজো হতে হতে রুক্ষ মরুভূমির যাবতীয় তথ্যাদি নিয়েছেন মুখে –

আজও কোন বোনের ডালিম বুকের সপ্তসুর ঢাকতে বেছে নিয়েছে আত্মবলি?

আজও কোন ভাই দায়িত্বের বাঁশীধ্বনিতে জোস্ন্যার মোলায়েম মাখতে না পেরে আকণ্ঠ  মেখেছে কার্তুজের আলখেল্লা?

ওগো মাবুদ, আপনি বলুন সাধারণ মানুষের কি রুপ বদলেছে?  ফিরে এসেছে কি হোমো সেপিয়েন্সের দুই হাজার সিসির স্তরের বন্য মেধা?

ওগো খোদাতায়ালা, আপনি কি হুকুম দেবেন কবি মাহমুদ দারবিশ কে… তিনি মায়ের কঙ্কাল কেটে কলম তৈরি করুন লিখতে থাকুন এইসব অনাচারের বিরুদ্ধে -লিখতে থাকুন আর যুদ্ধ নয় নেমে আসুক শান্তির কবিতা-

আপনি সাধারণ মানুষের  মজ্জায় মজ্জায়  কবি “ঘাসমান  জাকতান” এর মতো লিখতে বলুন “ছাব্বিল আনা আরবী” –

আমি আরবীয়, পরিচয় পত্রের নম্বর “পঞ্চাশ হাজার” আট ছেলেমেয়ে – আমি দোরগোড়ায় নত হতে জানিনা পাথরের ফলকে-

তাহলে অন্তত অসুস্থ পশু’র মতো মুখ থুবড়ে পড়তে হবে না মানুষকে বালুর স্তবকে –

ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে পুরো পৃথিবী জুড়ে চলছে অকল্পনীয় প্রার্থনা,

নামাজের পূর্বে ওজুর জোরদার,

খোদা,

দোয়া ইউনুসের মাতম চলছে মুসলিম সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে –

আর একবার কিংবা একাধিক বার আপনি রক্ষা করুন হযরত ইউনুস (সাঃ) এর মতো হাজার হাজার অথবা লক্ষ লক্ষ  অথবা কোটি কোটি মানুষ কে- এইসব বর্বরোচিত হামলা থেকে-

নেমে আসুন খোদা এই ভূখণ্ডের জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে-

এক তুড়িতে জেরুজালেমের রাস্তায় ভরিয়ে দিন ফুলের সমারোহ

আল আকসা মসজিদে আজ কি আযান হয়েছিলো মুয়াজ্জিনের সুমিষ্ট স্বরে?

যদি না হয়, আপনার কাছেই শুধু আবেদন করছি মহান সৃষ্টি কর্তা –

হযরত বেলাল ( আঃ) এর আযান ধ্বনি, যাতে মানুষ স্তম্ভিত হয়ে পড়ে-

মানুষের শরীর থেকে বেরিয়ে যায় অপশক্তি –

মানুষ যেনো এই অস্থির নৈরাজ্যের মধ্য থেকে বেরিয়ে পড়ে নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের অক্ষরেখায়- আপন হাতে মাটি ফাঁক করে রাখে ভুল ভ্রান্তির অশুদ্ধ স্পর্ধা –

 

সব অমানবিকতা কে আপনি ভাসিয়ে দিন ধর্মান্ধতার অন্ধত্বের সাথে জর্ডান নদীর জোয়ার দিয়ে ভূমধ্যসাগরের গভীর তলদেশে-

মানুষ বেঁচে থাক কবিতার অমৃত শ্লোকে একে অপরের পাশে হাতে হাত ধরে শস্য ক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত খাদ্যে,লোনা চন্দ্রের অববাহিকায় প্রযুক্তির সুস্থ সঠিক তত্ত্বে –

মানুষ বেঁচে থাক খোদা, বেঁচে থাক পৃথিবীর বুকে আলোর হাওয়ায়,ফুলের সৌরভে, সবুজের মোহে শান্ত জলের ঝর্ণার স্নানে …

মানুষ বেঁচে থাক খোদা, সপ্তর্ষি মন্ডলের অপার্থিব রুপ রেখা টানে…

কবিতা - ক্ষমা করো আমাকে নিভৃত মন
420 Views

মুগ্ধতা.কম

২৪ মে, ২০২১ , ১১:২৬ অপরাহ্ণ

‘নেতানিয়াহু, জো বাইডেন এবং রাষ্ট্রসংঘ বিষয়ক অসংলগ্ন পঙক্তিমালা’

১. নেতানিয়াহুর প্রতিঃ

নেতানিয়াহু, আমি নিশ্চিত- আপনার পরিবার পরিজন রয়েছে,

যেমন একএকটি পরিবার ছিলো ফিলিস্তিনের ধ্বসে পড়া ভবনগুলোর প্রতিটি এ্যাপার্টমেন্টে।

নেতানিয়াহু,

অফিস ছেড়ে বাসায় ফেরার পর আপনার পুত্র-কণ্যা বা স্বজনের সন্তানদের গোলাপী গালে যখন আদর করে দেন- দুষ্টুমী করে

আপনার চোখে নিশ্চয়ই ভাসে না তখন

ফিলিস্তিনের ধ্বসেপড়া ভবনের নিচে

গোলাপ ফুলের মত শিশুটির মুখ- রক্তাক্ত মুখ-

আপনার দেশ থেকে উড়ে এসে ধ্বসিয়ে দেয়া

মিশাইলের আঘাতে বিক্ষত শিশুগুলোর মুখ।

নেতানিয়াহু,

ধরুন, আপনি পরিবারের সকলকে নিয়ে-

আপনার স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ,

আপনার তুলতুলে সোনালী রং চুলের নাতি-নাতনীদের নিয়ে

রাতের ডিনার সেরে ঘুমিয়েছেন রাজকীয় নীল আলোয়,

আপনার কণ্যা- জামাতা এসেছে বেড়াতে আপনার রাজবাসভবনে-

আপনার কণ্যার কোলে হলুদ পুতুলের মত নাতনী

আর মধ্যরাতে তুমুল বোমার আঘাতে

সব ছিন্নভিন্ন আপনার চারপাশে- নরক-

আপনার পরিস্থিতি কেমন হবে, নেতানিয়াহু?

নিজেকে কল্পনা করুন, নেতানিয়াহু,

ফিলিস্তিনের ধ্বংসস্তুপের নিচে পরা কেউ-

ফিলিস্তিনের স্বজন হারানো আপনি ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে-

কল্পনা করুন ইজরায়েলি আপনাকে- নেতানিয়াহু,

এমন জানোয়ার আর দানব পৃথিবীতে

কাউকে খুঁজে পাবেন না- তুলনা করবার।

জানি, আপনারা চিরকাল এসবের নাগালের

বাইরের পৃথিবীর বাসিন্দা।

তবু নেতানিয়াহু,

জেনে রাখুন- মানুষের ঘৃণার মিশাইল কেবল ঘুমের ভেতরই নয়-

ইতিহাসের পাতায়ও তাড়িয়ে বেড়াবে আপনাদের মত রক্তখেকোদের?

২. জো বাইডেনের প্রতিঃ

জো বাইডেন,

আপনার কণ্যাকে, স্ত্রীকে আপনি হারিয়েছেন সড়ক দূর্ঘটনায়

পুত্র-স্বজন-পরিজন হারানোর বেদনা

আপনার চেয়ে কে আর জানে- কতটা গভীর।

অথচ নির্বিকার আপনার চোখেমুখে

নেতানিয়াহুকে পৃষ্ঠপোষকতার ঈঙ্গিত।

চক্ষুলজ্জায় আপনি কেবল আমতা আমতা করে-

একচক্ষু পাদ্রীর মত বলেন- আমরা যুদ্ধ চাইনা,

যুদ্ধ বন্ধ করা আশু দরকার।

অথচ ইসরায়েলকে যুদ্ধরসদ ঠিকই যুগিয়ে যাচ্ছেন আপনি,

জো বাইডেন,

আপনাকে সত্যিই আমরা একজন বিবেচক মানুষ ঠাউরেছিলাম

অথচ আপনিও কফির টেবিলে ধর্মের ধোঁয়া তুলে রক্তের পেয়ালা ঠোঁটে লাগিয়ে গুনগুন গান ধরেন জন লেনন-

”Imagine there’s no countries

It isn’t hard to do

Nothing to kill or die for

And no religion, too

 

Imagine all the people

Livin’ life in peace”

 

জো বাইডেন,

অথচ, সারা পৃথিবী আপনাকে বিবেচক মানবিক

জেন্টলম্যান ভেবেছিলো।

৩. রাষ্ট্রসংঘ বিষয়ক মন্তব্যঃ

রাষ্ট্রসংঘ, এক কলের পুতুল-

চাবি মেরে ছেড়ে দেয়া এক পাপেট-

রাষ্ট্রসংঘ, নির্বোধ এক বোকা মাছ-

যার কলিজায় বরশি গেঁথে ছিপ নিয়ে

পারমানবিক বোমার মালিকেরা খেলাখেলি করে।

রাষ্ট্রসংঘ, এক ‘উদ্বেগ-বিবৃতি’ দাতাদের আস্তানা-

যেন গ্রাম্য মোড়লদের বেতনভোগী নিমকখোর চামচাদের গুলতানিখানা

রাষ্টসংঘ, কেবল ধনী ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের ‘দুঃখ পাওয়া চিজ-পনিরচাটা’ মেধাবী মেরুদন্ডহীনদের ক্লাব।

নেতানিয়াহু, জো বাইডেন এবং রাষ্ট্রসংঘ বিষয়ক অসংলগ্ন পঙক্তিমালা'
355 Views

মুগ্ধতা.কম

২৪ মে, ২০২১ , ১১:২৩ অপরাহ্ণ

ফিলিস্তিনের গান

ওরে ও দুনিয়াবাসি

আমরা যারা ফিলিস্তিনি

কোথায় আছি কেমন আছি

কেমনে কাঁদি কেমনে হাসি

কেমন করে বেঁচে আছি দেখনা গো আসি

ওরে ও দুনিয়াবাসি

 

মুক্ত আকাশ মুক্ত বাতাস মুক্ত বাড়ি ঘর

কিছুই আমার নয় যে আপন সবই যেন পর

নদীর পানি মাঠের ফসল

সবই তারা করছে দখল

কোন সে দোষে নিজের ঘরে আমরা পরবাসি

 

বালির কণা পথের নুড়ি রক্তে ভিজে লাল

অফিস বাড়ি শিক্ষাভবন সবের একই হাল

করছে আঘাত মায়ের বুকে

কান্না সবার চোখে মুখে

শিশু কিশোর বৃদ্ধ যুবা নেই যে কারো হাসি

 

লেখা পড়ার স্বপ্ন এখন নেই শিশুদের বুকে

ইসরাইলি বুলেট বোমার চিহ্ন দেহ মুখে

যুদ্ধ দেখা তাদের খেলা

কেঁদেই কাটে সারাবেলা

ধ্বংস বাড়ি লাশের সারি কেমনে বলো বাঁচি

 

বিশ্ব বিবেক বিশ্ব মোড়ল আজকে কি নেই কেউ

কেউ দেখেনা ফিলিস্তিনে রক্ত নদীর ঢেউ

তুমিই প্রভু সকল আশা

বেঁচে থাকার শেষ ভরসা

মাফ করে দাও ফিরে তাকাও দাও বিজয়ের হাসি।

কবিতা - হামাসের রকেট
390 Views