মুগ্ধতা ব্লাড ব্যাংকে আপনার দেওয়া তথ্য বাঁচাতে পারে একটি জীবন। আপনার তথ্য দিন, প্রয়োজনে রক্ত খুঁজুন এখানে।

সাহিত্যে নোবেল-২০২৩; সম্ভাবনার দূয়ারে যাঁরা

প্রমথ রায়

১ অক্টোবর, ২০২৩ , ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

এ সপ্তাহে (৫ অক্টোবর) ঘোষণা হতে চলেছে সাহিত্যের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার নোবেল সাহিত্য পুরস্কার। সর্বোচ্চ সম্মাননার সম্ভাবনায় রয়েছেন বেশ কিছু সাহিত্যিক। এ তালিকায় রয়েছে চীনের ক্যান জু, নরওয়ের জন ফোস, অষ্ট্রেলিয়ার জেরাল্ড মুরনেন, কানাডার অ্যানি কারসন।

কেউ কেউ অনুমান করছেন এবার পুরস্কার এশিয়ার কোনো দেশ কিংবা নরওয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ সম্ভানায় রয়েছেন এশিয়ার মধ্যে চীনা ঔপন্যাসিক ক্যান জু। ৬৯ বয়সী চীনা এ নারী ঔপন্যাসিক ২০১৯ সালেও মনোনিত হয়ে পিটার হ্যান্ডকের কাছে হেরে যান। তাঁর আসল নাম ডেন জিয়াহুয়া। তাঁর প্রথম উপন্যাস Old Floating Cloud ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়। তবে তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস Love in the New Millennium ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর লেখার মধ্যে উচুমানের নিরিক্ষাধর্মী বর্ণনার বুনন রয়েছে। তিনি স্বপ্ন ও কল্পনার জগতকে তুলে ধরতে রূপক প্রয়োগ করেন। তাঁর লেখায় চীনা সংস্কৃতির সাথে পশ্চিমা সংস্কৃতির সমন্বয় রয়েছে। অনেকে তাঁর লেখার ধরনকে ফ্রানৎজ কাফকার লেখার ধরনের সাথে তুলনা করেন। এখন অপেক্ষার পালা যেন ২০১৯ এর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

এশিয়ার মধ্যে আরও রয়েছেন ভিয়েতনামিয়ান সাহিত্যিক ডুয়ং থু হুয়ং, উজবেকিস্তানি লেখক হামিদ ইসমাইলভ। কোনো ভারতীয়ও পেতে পারে এ পুরস্কার।

নওয়েজিয়ান নাট্যকার জন ফোস এর সম্ভাবনাও অনেক। ফোস নাট্যকার হলেও একজন বহুমাত্রিক লেখক। তাঁর প্রথম গ্রন্থ উপন্যাস। Roudt, svart নামক উপন্যাসটি ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর লেখা নাটক, উপন্যাস, ছোটোগল্প প্রায় ৪০টি ভাষায় অনূদিত হয়।
আর একজন নরওয়েজিয়ান কার্ল ওভে ক্লাউসগার্ডও প্রাপ্তির তালিকায় রয়েছেন।

জেরাল্ড মুরনেন : সম্ভাবনার তালিকায় বেশ জোরেশোরে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান এ নিভৃতচারী সাহিত্যিক। মুরনেনও এর আগে মনোনিত তালিকায় ছিলেন। তাঁর প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর তিনি বেশ কিছু উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থ প্রকাশ করেন।

মনোনয়ন তালিকায় বেশ উপরের দিকেই রয়েছেকানাডিয়ান লেখিকা অ্যানি কারসনের নাম। বহুমাত্রিক এ সাহিত্যিকের লেখা কানাডাসহ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। কারসনের প্রথম গ্রন্থ সমালোচনা বই প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। তিনি প্লেটোর মতো বিখ্যাত লেখকদের বইও অনুবাদ করেন।

হারুকি মুরাকুমির নাম আলোচনায় আসলেও তিনি ২০০৭ সাল থেকে প্রতিবারই এ পুরস্কার পাওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনায় থাকেন। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে প্রতিবারই তিনি প্রত্যাখ্যাত হন। কেউ কেউ বলে থাকেন সুইডিশ অ্যাকাডেমি এ পুরস্কারের ক্ষেত্রেও একজন সাহিত্যিকের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও খেয়াল করেন, যা মুরাকামী তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। তা যদি সত্যিই বিবেচ্য হয়ে থাকে, তবে এ পুরস্কার মুরাকামির অধরাই থেকে যাবে।

বেশ কয়েক বছর থেকে তুলনামূলক ভাবে কম জনপ্রিয় লেখকদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। তালিকার তলানিতে থাকা মার্কিন ঔপন্যাসিক স্টিফেন কিং কিংবা গীতিকার পল সাইমন এ বছর সাহিত্যের নোবেল লরিয়েট হলেও অবাক হওয়ার কিছু রবে না। এখন শুধু অপেক্ষার পালা।

জেরাল্ড মুরনেন : সম্ভাবনার তালিকায় বেশ জোরেশোরে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান এ নিভৃতচারী সাহিত্যিক। মুরনেনও এর আগে মনোনিত তালিকায় ছিলেন। তাঁর প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর তিনি বেশ কিছু উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থ প্রকাশ করেন।

মনোনয়ন তালিকায় বেশ উপরের দিকেই রয়েছেকানাডিয়ান লেখিকা অ্যানি কারসনের নাম। বহুমাত্রিক এ সাহিত্যিকের লেখা কানাডাসহ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। কারসনের প্রথম গ্রন্থ সমালোচনা বই প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। তিনি প্লেটোর মতো বিখ্যাত লেখকদের বইও অনুবাদ করেন।

হারুকি মুরাকুমির নাম আলোচনায় আসলেও তিনি ২০০৭ সাল থেকে প্রতিবারই এ পুরস্কার পাওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনায় থাকেন। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে প্রতিবারই তিনি প্রত্যাখ্যাত হন। কেউ কেউ বলে থাকেন সুইডিশ অ্যাকাডেমি এ পুরস্কারের ক্ষেত্রেও একজন সাহিত্যিকের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও খেয়াল করেন, যা মুরাকামী তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। তা যদি সত্যিই বিবেচ্য হয়ে থাকে, তবে এ পুরস্কার মুরাকামির অধরাই থেকে যাবে।

বেশ কয়েক বছর থেকে তুলনামূলক ভাবে কম জনপ্রিয় লেখকদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। তালিকার তলানিতে থাকা মার্কিন ঔপন্যাসিক স্টিফেন কিং কিংবা গীতিকার পল সাইমন এ বছর সাহিত্যের নোবেল লরিয়েট হলেও অবাক হওয়ার কিছু রবে না। এখন শুধু অপেক্ষার পালা।