মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২ এপ্রিল, ২০২১ , ১১:৩২ অপরাহ্ণ

অভিনব উদ্যোগ: রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম

নতুন ও ব‍্যতিক্রমধর্মী এক জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রংপুরের লেখক ও সংগঠক জাকির আহমদ। ‘রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম’ নামে এ জাদুঘরে ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে লেখা বইয়ের পাশাপাশি বৃহত্তর রংপুরের লেখকদের বই এবং রংপুর নিয়ে

অভিনব উদ্যোগ: রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম 1

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২৪ মার্চ, ২০২১ , ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ মার্চ বুধবার বিকেলে ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত 2

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২৩ মার্চ, ২০২১ , ৭:১২ অপরাহ্ণ

অপূর্ব চৌধুরীর নতুন বই: ভাইরাস ও শরীর

কঠিন বিষয় সহজ করে বলা অনেক কঠিন একটি কাজ । আবার সে কাজ করতে গিয়ে সহজ করে ফেলা মানে গভীরতা হারিয়ে ফেলা নয় । প্রতিটি প্রবন্ধের শেষে আছে তথ্য সূত্রের উল্লেখ । উৎসাহী সাধারণ...

ভাইরাস ও শরীর - চিকিৎসা বিজ্ঞানের সহজপাঠ

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

১৯ মার্চ, ২০২১ , ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ

বইবাড়িতে আতাউর রহমানের কবিতার বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

আতাউর রহমান এর প্রথম কবিতাগ্ৰন্থ ‘খুলে দাও আঁধার দুয়ার’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বইবাড়িতে

বইবাড়িতে আতাউর রহমানের কবিতার বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান 3

আনওয়ারুল ইসলাম রাজু

১৭ মার্চ, ২০২১ , ১২:০১ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন

Latest posts by আনওয়ারুল ইসলাম রাজু (see all)

‘ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর নামের ওপর পতাকার মতো/দুলতে থাকে স্বাধীনতা/ ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর নামের ওপর ঝরে/মুক্তিযোদ্ধাদের জয়ধ্বনি।’- তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশ স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ...

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন - আনওয়ারুল ইসলাম রাজু

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ

রংপুরে পাভেল রহমানের সংবর্ধনা শনিবার

রংপুরের কৃতী সন্তান, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোসাংবাদিক পাভেল রহমান একুশে পদক পাওয়ায় তাঁকে সংবর্ধনা দেবে রংপুরের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও নাট্য সংগঠনগুলো। ৬ মার্চ শনিবার বিকেল চারটায় রংপুর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে

রংপুরে পাভেল রহমানের সংবর্ধনা শনিবার 4

মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

অভিযাত্রিকের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)

অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদেন ২২১০ তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ মার্চ শুক্রবার। রংপুর টাউন হল চত্বরে অনুষ্ঠিত আসরে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কথাসাহিত্যিক

অভিযাত্রিকের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত 5

মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতা পারায়ণ অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)

“কবিতা- করোনা বিধ্বস্ত পৃথিবীর বুকে তুলুক জীবনের জোয়ার” শ্লোগানকে সামনে রেখে ৫ মার্চ শুক্রবার পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় কবিতা পরিষদ রংপুরের ৫৫০ তম সাপ্তাহিক আসর পূর্তি ও একাদশ কবিতা

জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতা পারায়ণ অনুষ্ঠিত 6
অভিনব উদ্যোগ: রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম 10

অভিনব উদ্যোগ: রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম

নতুন ও ব‍্যতিক্রমধর্মী এক জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রংপুরের লেখক ও সংগঠক জাকির আহমদ।...

রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত 11

রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ মার্চ বুধবার বিকেলে ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর...

বইবাড়িতে আতাউর রহমানের কবিতার বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান 12

বইবাড়িতে আতাউর রহমানের কবিতার বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

আতাউর রহমান এর প্রথম কবিতাগ্ৰন্থ ‘খুলে দাও আঁধার দুয়ার’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়...

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন - আনওয়ারুল ইসলাম রাজু

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন

Latest posts by আনওয়ারুল ইসলাম রাজু (see all)
‘ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর নামের ওপর পতাকার মতো/দুলতে থাকে স্বাধীনতা/ ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর...

রংপুরে পাভেল রহমানের সংবর্ধনা শনিবার 13

রংপুরে পাভেল রহমানের সংবর্ধনা শনিবার

রংপুরের কৃতী সন্তান, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোসাংবাদিক পাভেল রহমান একুশে পদক পাওয়ায় তাঁকে সংবর্ধনা দেবে...

অভিযাত্রিকের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত 14

অভিযাত্রিকের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)
অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদেন ২২১০ তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ মার্চ...

জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতা পারায়ণ অনুষ্ঠিত 15

জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতা পারায়ণ অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)
“কবিতা- করোনা বিধ্বস্ত পৃথিবীর বুকে তুলুক জীবনের জোয়ার” শ্লোগানকে সামনে রেখে ৫ মার্চ শুক্রবার...

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২ এপ্রিল, ২০২১ , ১১:৩২ অপরাহ্ণ

অভিনব উদ্যোগ: রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম

নতুন ও ব‍্যতিক্রমধর্মী এক জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রংপুরের লেখক ও সংগঠক জাকির আহমদ। ‘রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম’ নামে এ...

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২৪ মার্চ, ২০২১ , ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ মার্চ বুধবার বিকেলে ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।...

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২৩ মার্চ, ২০২১ , ৭:১২ অপরাহ্ণ

অপূর্ব চৌধুরীর নতুন বই: ভাইরাস ও শরীর

কঠিন বিষয় সহজ করে বলা অনেক কঠিন একটি কাজ । আবার সে কাজ করতে গিয়ে সহজ করে ফেলা মানে...

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

১৯ মার্চ, ২০২১ , ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ

বইবাড়িতে আতাউর রহমানের কবিতার বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

আতাউর রহমান এর প্রথম কবিতাগ্ৰন্থ ‘খুলে দাও আঁধার দুয়ার’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বইবাড়িতে

আনওয়ারুল ইসলাম রাজু

১৭ মার্চ, ২০২১ , ১২:০১ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন

Latest posts by আনওয়ারুল ইসলাম রাজু (see all)
‘ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর নামের ওপর পতাকার মতো/দুলতে থাকে স্বাধীনতা/ ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর নামের ওপর ঝরে/মুক্তিযোদ্ধাদের জয়ধ্বনি।’- তিনি...

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ

রংপুরে পাভেল রহমানের সংবর্ধনা শনিবার

রংপুরের কৃতী সন্তান, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোসাংবাদিক পাভেল রহমান একুশে পদক পাওয়ায় তাঁকে সংবর্ধনা দেবে রংপুরের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও নাট্য...

মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

অভিযাত্রিকের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)
অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদেন ২২১০ তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ মার্চ শুক্রবার। রংপুর টাউন হল চত্বরে...

মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতা পারায়ণ অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)
“কবিতা- করোনা বিধ্বস্ত পৃথিবীর বুকে তুলুক জীবনের জোয়ার” শ্লোগানকে সামনে রেখে ৫ মার্চ শুক্রবার পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত হলো...

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২ এপ্রিল, ২০২১ , ১১:৩২ অপরাহ্ণ

অভিনব উদ্যোগ: রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম

নতুন ও ব‍্যতিক্রমধর্মী এক জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রংপুরের লেখক ও সংগঠক জাকির আহমদ। ‘রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম’ নামে এ জাদুঘরে ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে লেখা বইয়ের পাশাপাশি বৃহত্তর রংপুরের লেখকদের বই এবং রংপুর নিয়ে (more…)

অভিনব উদ্যোগ: রঙ্গপুর বুক মিউজিয়াম 37

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২৪ মার্চ, ২০২১ , ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ মার্চ বুধবার বিকেলে ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। (more…)

রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ-এর বিশেষ সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত 38

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

২৩ মার্চ, ২০২১ , ৭:১২ অপরাহ্ণ

অপূর্ব চৌধুরীর নতুন বই: ভাইরাস ও শরীর

কঠিন বিষয় সহজ করে বলা অনেক কঠিন একটি কাজ । আবার সে কাজ করতে গিয়ে সহজ করে ফেলা মানে গভীরতা হারিয়ে ফেলা নয় । প্রতিটি প্রবন্ধের শেষে আছে তথ্য সূত্রের উল্লেখ । উৎসাহী সাধারণ পাঠক থেকে চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীদের (more…)

ভাইরাস ও শরীর - চিকিৎসা বিজ্ঞানের সহজপাঠ

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

১৯ মার্চ, ২০২১ , ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ

বইবাড়িতে আতাউর রহমানের কবিতার বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

আতাউর রহমান এর প্রথম কবিতাগ্ৰন্থ ‘খুলে দাও আঁধার দুয়ার’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বইবাড়িতে (more…)

বইবাড়িতে আতাউর রহমানের কবিতার বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান 39

আনওয়ারুল ইসলাম রাজু

১৭ মার্চ, ২০২১ , ১২:০১ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন

Latest posts by আনওয়ারুল ইসলাম রাজু (see all)

‘ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর নামের ওপর পতাকার মতো/দুলতে থাকে স্বাধীনতা/

ধন্য সেই পুরুষ/ যাঁর নামের ওপর ঝরে/মুক্তিযোদ্ধাদের জয়ধ্বনি।’-

তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশ স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই মহান নেতার রাজনৈতিক দর্শন গভীর প্রজ্ঞাময় ও দূর দৃষ্টিসম্পন্ন। বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য ও ঘটনাবহুল রাজনৈতিক জীবনের কর্মকান্ডের মধ্যদিয়েই আমরা তাঁর রাজনৈতিক দর্শন উপলব্ধি করতে পারি।

বঙ্গবন্ধুর সুনির্দিষ্ট কিছু আদর্শ ছিল, মূল্যবোধ ছিল, লক্ষ্য ছিল এবং সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তিনি আজীবন একনিষ্ঠভাবে এবং নিরলস কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীর শুরুতেই তাঁর একটি উদ্ধৃতি রয়েছে :

‘একজন মানুষ হিসাবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালি হিসাবে যা কিছু বাঙালিদের সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্প্রীতির উৎস ভালোবাসা, অক্ষয় ভালোবাসা যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে’।- এই উদ্ধৃতির মাত্র তিনটি বাক্যেই বঙ্গবন্ধু তাঁর আত্মপরিচিতি, মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক দর্শন পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন। এথেকে এটা স্পষ্ট যে, বঙ্গবন্ধু নিজেকে একাধারে মানুষ এবং তার সঙ্গে বাঙালি হিসেবে আত্মপরিচয়ের স্বীকৃতি দিচ্ছেন। তাঁর কর্মপ্রেরণার উৎস হিসেবে চিহ্নিত করছেন বাঙালি এবং মানব সম্প্রদায়ের জন্য তাঁর ভালোবাসা। এই আত্মপরিচয় থেকেই আমরা উপলব্ধি করতে পারি তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের চারটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য : বাঙালি জাতিসত্তা, জনসম্প্রীতি, অসাম্প্রদায়িকতা এবং সমাজতন্ত্র। অবশ্য তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের আরও অনেক বৈশিষ্ট্য প্রত্যক্ষ করা যায়।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন বুঝতে হলে প্রথমেই আমাদের মনে রাখা দরকার বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের বেশির ভাগ অংশই কেটেছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর খুবই অল্প সময়ের জন্য সাড়ে তিন বছর তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি ব্যয় করেছেন ঔপনিবেশিক ও অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে। প্রথমে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক এবং তারপর পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি বহুদিন সংগ্রাম করেছেন বাংলার মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার আদায়ের জন্য।

আর তাই বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন এদেশের সোঁদা মাটির গন্ধ আর বাঙালি জাতির হাজার বছরের ভাষা-সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, সর্বোপরি স্বাধীনতার জন্য লালিত স্বপ্ন-আকাঙ্খা, সংগ্রাম-সাধনার ভিত্তিতে অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, শোষণ-বঞ্চনামুক্ত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ উপহার দেওয়ার প্রত্যয়ে প্রোথিত ছিল।

বাঙালির জাতীয়জীবনের সুদীর্ঘ সময় কেটেছে পরাধীনতার নাগপাশে আবদ্ধ থেকে। নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে এ থেকে মুক্তির পথ খুঁজেছে বাঙালি। কিন্তু কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। বঙ্গবন্ধু তাঁর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনৈতিক দর্শন এবং সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য বাঙালি জাতিকে একটি প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ করে তুলেছিলেন এবং তাঁর নির্দেশেই রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে জাতির দীর্ঘ দিনের লালিত ‘স্বাধীনতার স্বপ্ন’ পূরণ সম্ভব হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন মনে-প্রাণে বাঙালি। শৈশবেই বঙ্গবন্ধুর মানস-চেতনায় বাঙালি জাতির শৃঙ্খলমুক্তির আকাঙ্খা এবং রাজনৈতিক চেতনার বীজ প্রোথিত হয়েছিল। গুরুসদয় দত্তের ব্রতচারী আন্দোলন কিশোর মুজিবের মানসচেতনায় রোপণ করেছিল বাঙালিয়ানার বীজ। ১৯৩৯ সালে গোপালঞ্জ মিশনারীর স্কুলে ৮ম শ্রেণিতে ভর্তির পর তিনি এ আন্দোলনে যুক্ত হন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকে বেগবান করতে ও বাঙালির মধ্যে জ্ঞান, শ্রম, একতা ও দেশপ্রেমের দীক্ষাদানের জন্য ১৯৩১ সালে গুরুসদয় দত্ত ব্রতচারী আন্দোলনের সূচনা করেন। গুরুসদয় দত্তের বাঙালিয়ানার মন্ত্র – ‘ষোলো আনা বাঙালি হ’/ বিশ্ব মানব হবি যদি/ শাশ্বত বাঙালি হ’- শোণিতে ধারণ করেই শেখ মুজিব হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধু- বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি । ব্রতচারী আন্দোলনের স্বদেশপ্রেম ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা হৃদয়ে লালন করেই শেখ মুজিব প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যোগদেন এবং বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের পুরোটা সময় ‘ষোলআনা বাঙালি’ হওয়ার স্বপ্ন পূরণের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন।

স্কুলজীবনেই নানা সমাজসেবামূলক কর্মকা- ও রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন তিনি। ১৯৩৮ সালে গোপালগঞ্জ সফররে আগত তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এবং শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে পরিচয় ঘটে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত এ দুজন রাজনীতিবিদসহ বাঙালিয়ানার মন্ত্রে উজ্জীবিত সমসাময়িক অন্যান্য রাজনৈতিক নেতার কর্ম ও আদর্শ তার রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তিকে সুদৃঢ় রূপ দেয়।

১৯৪৭ এর দেশবিভাগের পূর্বে মুসলিমলীগের হয়ে পাকিস্তান আন্দোলেনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন শেখ মুজিব। তবে এক্ষেত্রেও বঙ্গবন্ধুর বাঙালি আত্মপরিচয়, স্বকীয়তা এবং তা নিয়ে গর্ববোধের পরিচয় পাওয়া যায়। আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন, সে সময় জনসভায় পাকিস্তান আন্দোলনকে তিনি উত্থাপিত করতেন লাহোর প্রস্তাবের ধারণায়, দুটি মুসলমান প্রধান সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে :

‘পাকিস্তান দুইটা হবে, লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে। একটা বাংলা ও আসাম নিয়ে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র; আর একটা পশ্চিম পাকিস্তান স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হবে, পাঞ্জাব, বেলুচিস্তান, সীমান্ত ও সিন্ধু প্রদেশ নিয়ে।’

কিন্তু মিস্টার জিন্নাহর ধর্মভিত্তিক দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে লাহোর প্রস্তাবের বাস্তব রূপায়ন সম্ভব হয়নি।

বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি এবং নিজস্ব আবাসভূমির দাবিতে তিনি বরাবরাই ছিলেন সোচ্চারকণ্ঠ। দেশভাগের পর বাংলাকে বাদ দিয়ে একমাত্র উর্দ্দুকে পকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার অপচেষ্টাসহ বাঙালির প্রতি পশ্চিমা শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণে ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে বাঙালি। শুরু হয় রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনসহ বাঙালির অধিকার আদায়ের সকল আন্দোলন-সংগ্রামের পুরোভাগে ছিলেন শেখ মুজিব।

১৯৪৮ সালের ১৬ মার্চ রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের আমতলায় সাধারণ ছাত্রসভায় প্রথম সভাপতিত্ব করেন তিনি। এবছরই রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য তিনি কারাবরণ করেন। ১৯৫২-এর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যার ঘটনার দিন শেখ মুজিব জেলে ছিলেন। ২৬শে ফেব্রুযারি মুক্তি পেয়ে ভাষা আন্দোলনে আরও সক্রিয় হন। ভাষা-আন্দোলনের ফলে তাঁর মধ্যে যে চেতনা জাগ্রত হয় এবং এর মাধ্যমে তিনি যে নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করেন, তা তাঁকে স্বাধিকার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের শক্তি দান করে এবং তাঁকে অবতীর্ণ করে ইতিহাসের মহানায়কের ভূমিকায়।

ঔপনিবেশবাদী পাকিস্তানী শাসকদের বিভিন্ন শোষণের হাত থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করা এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ছিল তার রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম লক্ষ্য।

আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন: ‘পূর্ব বাংলার সম্পদ কেড়ে নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানকে কত তাড়াতাড়ি গড়া যায় একদল পশ্চিমা নেতা ও বড় বড় সরকারি কর্মচারীরা গোপনে সে কাজ করে চলেছিল।… শ্রমিক কৃষক মেহনতি মানুষ যে আশা নিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন, যে পাকিস্তান আন্দোলনে শরিক হয়ে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির দিকে কোনো নজর দেওয়াই তারা দরকার মনে করল না।’

এই বৈষম্য ও শোষণ বঞ্ছনা থেকে মুক্ত করে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্টার লক্ষ্যে শেখ মুজিব ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে সম্মিলিত বিরোধী দলের কনভেনশনে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ শিরোনামে বাঙালির মুক্তিসনদ ‘ছয় দফা’ দাবি ঘোষণা করেন।

ছয় দফার দাবিগুলো ছিল :

এক : সরকারের বৈশিষ্ট হবে ঋবফবৎধষ বা যৌথরাষ্ট্রীয় ও সংসদীয় পদ্ধতির; তাতে যৌথরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক সভার নির্বাচন হবে প্রত্যক্ষ এবং সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে। কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক সভার প্রতিনিধি নির্বাচন জনসংখ্যারভিত্তিতে হবে।

দুই : কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব থাকবে কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক বিষয় এবং তৃতীয় দফায় বর্ণিত শর্তসাপেক্ষ বিষয়।

তিন : পুর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক মুদ্রা-ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা পারস্পরিকভাবে কিংবা অবাধে উভয় অঞ্চলে বিনিময় করা চলবে। অথবা এর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি মুদ্রা-ব্যবস্থা চালু থাকতে পারে এই শর্তে যে, একটি কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যার অধীনে দুই অঞ্চলে দুটি রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে। তাতে এমন বিধান থাকতে হবে যেন এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে সম্পদ হস্তান্তর কিংবা মূলধন পাচার হতে না পারে।

চার : রাজস্ব ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে। প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক বিষয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রয়োজনীয় রাজস্বের যোগান দেয়া হবে। সংবিধানে নির্দেশিত বিধানের বলে রাজস্বের এই নির্ধারিত অংশ স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে জমা হয়ে যাবে। এহেন সাংবিধানিক বিধানে এমন নিশ্চয়তা থাকবে যে, কেন্দ্রীয় সরকারের রাজস্বের প্রয়োজন মেটানোর ব্যাপারটি এমন একটি লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে যেন রাজস্বনীতির উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নিশ্চিতভাবে অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে থাকে।

পাঁচ : যৌথরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে, সেই অঙ্গরাজ্যের সরকার যাতে স্বীয় নিয়ন্ত্রনাধীনে তার পৃথক হিসাব রাখতে পারে, সংবিধানে সেরূপ বিধান থাকতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হবে, সংবিধান নির্দেশিত বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত অনুপাতের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে তা আদায়করা হবে। সংবিধান নির্দেশিত বিধানানুযায়ী দেশের বৈদেশিক নীতির কাঠামোর মধ্যে, যার দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে, বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক সাহায্য সম্পর্কে চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক সরকারগুলোর হাতে থাকবে।

ছয় : ফলপ্রসূভাবে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কাজে সাহায্যের জন্য অঙ্গরাজ্যগুলোকে মিলিশিয়া বা আধা-সামরিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনের সুবর্ণফসল বাঙালির মহামুক্তির সনদ এই ছয়দফা। যার ভিত্তিতে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ বেয়ে ১৯৭০এর নির্বাচনে বাঙালির নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন এবং ১৯৭১-এ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

ছয় দফার আন্দোলন পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর ভিত কাঁপিয়ে দেয়। ১৯৬৮ সালে ১ জানুয়ারি আইয়ুব খান শেখ মুজিব ও তাঁর সঙ্গীদের নামে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। শেখ মুজিবকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করার ষড়যন্ত্র চলে। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় গোটা বাঙালি জাতি। যার অনিবার্য পরিণতি ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান। দুর্বার গণঅভ্যুত্তানের মুখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে আইয়ুব খান ২২শে ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবকে মুক্তিদান এবং ১৯৭০-এ সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। পরদিন রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবকে সংবর্ধনা জানিয়ে বাঙালি জাতি এই মহান নেতাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে। সেদিন থেকে তিনি আর শেখ মুজিব বা নেতা-কর্মীদের মুজিব ভাই নন। হয়ে ওঠেন বাঙালির প্রাণের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।

১৯৭০-এ সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও বাঙালির হাতে ক্ষমতা ছেড়ে না দেয়ার হীন ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা। ১৯৭১-এর ১ মার্চ অনির্দিষ্ট কালের জন্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে ইয়াহিয়া খান। বঙ্গবন্ধু তাদের দূরভিসন্ধি বুঝতে পেরে পূর্ববাংলার স্বাধীনতার জন্য চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর প্রত্যয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন। ১৯৭১-এর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি উপনীত হয় মুক্তি মহামোহনায়। এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতার সাথে রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশে বলিষ্ঠ কণ্ঠে ঘোষনা করেন : ‘‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম-এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’’। সেদিন বঙ্গবন্ধু কেবল স্বাধীনতার চূড়ান্ত আহ্বানটি দিয়েই ক্ষান্ত হননি, স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের রূপরেখাও দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষের কাছে লাল-সবুজ পতাকাকে মূর্তিমান করে তোলে। আর এরই মাধ্যমে বাঙালির ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা হয়। এই ঐতিহাসিক ভাষণের ধারাবাহিকতায় ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে বন্দী হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণাটি দিয়ে যান ।

শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ‘জয়বাংলা’ বলে বঙ্গবন্ধুর নামে পরিচালিত হয় মুক্তিযুদ্ধ। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহীদের এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বিজয়।

পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে মৃত্যুদ- দেয়ার অপচেষ্টা করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ১৯৭২-এর ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পরাজিত পাকিস্তান সরকার।

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে যেকোন মূল্যে সমুন্নত রাখার সুদৃঢ় প্রত্যয় বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফেরার পথে লন্ডনে বিবিসি বাংলাকে দেয়া প্রথম সাক্ষাৎকারেই বঙ্গবন্ধু বলেন :

“সাহায্যের প্রয়োজন আছে দুনিয়ার কাছ থেকে। কিন্তু এমন সাহায্য আমি চাইনা, যার দ্বারা আমার স্বাধীনতার উপর কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে। আমার দেশের স্বাধীনতা বিক্রি করে আমি কোন সাহায্য চাইনা।”)

১৯৭২এর ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলার মাটিতে ফিরে রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার সমাবেশে অশ্রুসিক্ত চোখে জাতির উদ্দেশ্যে যে আবেগঘণ ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু তার মধ্যদিয়েও ফুটে ওঠে তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল লক্ষ্য ক্ষুধা-দারিদ্র, শোষণ-বঞ্চনা মুক্ত সোনারবাংলা গড়ে তোলার উদাত্ত্ব আহ্বান।

“নতুন করে গড়ে উঠবে এই বাংলা, বাংলার মানুষ হাসবে বাংলার মানুষ খেলবে বাংলার মানুষ মুক্ত হয়ে বাস করবে বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে এই আমার সাধনা এই আমার জীবনের কাম্য আমি যেন এই কথা চিন্তা করেই মরতে পারি এই আশীর্বাদ এই দোয়া আপনার আমাকে করবেন।”

১৯৭১-এর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি যেমন ছিল স্বাধীনতার সুস্পষ্ট রূপরেখা, ঠিক তেমনি ৯ মাস পর ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি স্বাধীন দেশে প্রত্যাবর্তনের পর রেসকোর্সে দেয়া তাঁর ভাষণটি ছিল ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের একটি রূপকল্প। ওই ভাষণে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ পুনর্গঠনের কাজের প্রতিই তিনি সবিশেষ গুরুত্বারোপ করেছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সম্মিলিত উদ্যোগে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন বারবার। দৃপ্তকণ্ঠে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, বাংলাদেশের পুনর্গঠন কাজ পরিচালিত হবে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

এ লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশের একটি সংবিধান প্রণয়ন এবং যুদ্ধবিদ্বস্ত দেশ পুণর্গঠনে সর্বতোভাবে আত্মনিয়োগ করেন।

বঙ্গবন্ধু মাটি ও মানুষের সুপ্ত শক্তি ও স্বপ্ন এবং আশা-আকাঙ্খাকে অবলম্বন করে শোষণ-বঞ্চনামুক্ত, অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ সোনারবাংলা গড়ে তোলা এবং একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ উপহার দেওয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বমানের একটি সংবিধান জাতিকে উপহার দেন। ১৯৭২ সালের ১৪ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে শেখ মুজিব স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ নিছক একটি ভূখ- লাভ কিংবা পতাকা বদলের জন্য হয়নি। নয় মাসব্যাপী এই যুদ্ধ ছিল প্রকৃত অর্থেই মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ এই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন সার্বিক মুক্তির আশায়। জনগণের এই আকাঙ্খা তথা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন মূর্ত হয়েছিল ১৯৭২-এর সংবিধানে।

এই সংবিধানে রাষ্ট্রের চার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে। বাংলাদেশের মূল সংবিধানে বর্ণিত রাষ্ট্রের এই চার মূলনীতিই মূলত: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তথা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন, যা অর্জিত হয়েছে তিরিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে।

বঙ্গবন্ধু তাঁর এই রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তিতেই স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয়ে যখন এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির হীন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট শাহাদতবরণ করেন। এরপর ১৯৭২এর সংবিধান তথা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনকে ভূলুন্ঠিত করে পাকিস্তানী কায়দায় দেশ পরিচালনার অপচেষ্টা চলে । বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রার ইতিহাসে সূচিত হয় এক কারো অধ্যায়ের।

কিন্তু বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিকম আদর্শে উজ্জীবিত বাংলাদেশে এই অপচেষ্টা বেশিদূর এগুতে পারেনি। ইতিহাসের এই কালো অধ্যায় মুছে দিয়ে জাতির জীবনে আলোর দিশারি হয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগ্রামের হাল ধরেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আবারও শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার নিরন্তর সংগ্রাম। অব্যাহত উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজযন্তীর প্রাক্কালে বঙ্গবন্ধুকন্যার সুযোগ্য নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্ত তার কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক দর্শনে উজ্জীবিত হয়ে উত্তরোত্তর উন্নতির সুউচ্চু শিখরে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। বিনম্র শ্রদ্ধা এই মহান নেতার প্রতি ।#

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন - আনওয়ারুল ইসলাম রাজু

মুগ্ধতা প্রতিবেদক

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ

রংপুরে পাভেল রহমানের সংবর্ধনা শনিবার

রংপুরের কৃতী সন্তান, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোসাংবাদিক পাভেল রহমান একুশে পদক পাওয়ায় তাঁকে সংবর্ধনা দেবে রংপুরের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও নাট্য সংগঠনগুলো। ৬ মার্চ শনিবার বিকেল চারটায় রংপুর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে (more…)

রংপুরে পাভেল রহমানের সংবর্ধনা শনিবার 40

মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

অভিযাত্রিকের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)

অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদেন ২২১০ তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ মার্চ শুক্রবার। রংপুর টাউন হল চত্বরে অনুষ্ঠিত আসরে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কথাসাহিত্যিক (more…)

অভিযাত্রিকের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত 41

মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্

৬ মার্চ, ২০২১ , ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতা পারায়ণ অনুষ্ঠিত

তরুণ লেখক ও সম্পাদক, রংপুর
Latest posts by মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্ (see all)

“কবিতা- করোনা বিধ্বস্ত পৃথিবীর বুকে তুলুক জীবনের জোয়ার” শ্লোগানকে সামনে রেখে ৫ মার্চ শুক্রবার পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় কবিতা পরিষদ রংপুরের ৫৫০ তম সাপ্তাহিক আসর পূর্তি ও একাদশ কবিতা (more…)

জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতা পারায়ণ অনুষ্ঠিত 42

মুগ্ধতা.কম

৯ আগস্ট, ২০২০ , ৯:৫২ অপরাহ্ণ

ছড়াকার শহীদুর রহমান বিশুর মৃত্যুতে শোক

বিশিষ্ট ছড়াকার ও সংগঠক একেএম শহীদুর রহমান বিশু আর নেই। ৯ আগস্ট রবিবার ভোরে রংপুরের পাকপাড়ার বাসায় ইন্তেকাল করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

ছড়াকার শহীদুর রহমান

ছড়াকার শহীদুর রহমান

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৩ পুত্র সন্তান ও ২ কন্যাসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আছর কেরামতিয়া জামে মসজিদে মরহুমের নামাজের জানাযা শেষে মুন্সিপাড়া কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশে দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়েছে। জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কাজী মো. জুননুন, কবি ও সাংবাদিক মাহবুবুল ইসলাম, লেখক রানা মাসুদ, অধ্যাপক শাহ্ আলমসহ, রেজাউল করিম মুকুলসহ লেখক ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

একেএম শহীদুর রহমান বিশুর জন্ম রংপুরের মুন্সিপাড়ায় ১৯৪১ সালের ১৯ জানুয়ারী। সুস্থ সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার লক্ষে ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদ। ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। ১৯৮৪-৮৬ তে বাংলাদেশ টেলিভিশন প্রচারিত হয় শহীদুর রহমান বিশুর লেখা ও পরিচালনায় ‘রংপুরের জারী’ ও ‘নাইওরী’ গীতি আলেখ্য দু’টি। স্পর্শ নামে একটি উপন্যাস এবঙ কয়েকটি ছড়ার বই প্রকাশিত হয় তার। প্রস্তুত আছে অসংখ্য পাণ্ডুলিপি। সবশেষ তিনি ‘উত্তরমেঘ’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। এছাড়াও নিয়মিত স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক ও ছোট কাগজে ছড়া কবিতা লিখেছিলেন।  ভারতের শিলিগুড়ি, আসাম, গৌরীপুর, ঢাকা ও পাবনায় বিভিন্ন সংগঠক কর্তৃক পদকপ্রাপ্ত হয়েছেন। ২০১১ সালে তিনি পান রংপুর পৌরসভার সিনিয়র সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড এবং বিভাগীয় লেখক পরিষদের গুণী সাহিত্যিক সম্মাননা পান।

শহীদুর রহমান বিশুর মৃত্যুতে অভিযাত্রিক, বিভাগীয় লেখক পরিষদ, রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ, ছড়া সংসদ, জাতীয় কবিতা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব শোক জানিয়েছেন।

ছড়াকার শহীদুর রহমান বিশুর মৃত্যুতে শোক 45

মুগ্ধতা.কম

১৪ জুলাই, ২০২০ , ৮:৫৯ অপরাহ্ণ

রংপুর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মুক্তিযোদ্ধাসহ করোনায় মৃত ১৪ লাশ দাফন

রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতালে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে করোনা যুদ্ধে শহিদ হন মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। গত ১২ জুলাই রোববার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

মৃত আবুল কাশেম রংপুর সিটি কর্পোরেশনের অধীন কেল্লাবন্দ সর্দারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। করোনাভাইরাস ছাড়াও তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

১২ জুলাই রোববার রাত বারোটার দিকে পূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন করে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন রংপুরের দাফনসেবা টিমের স্বেচ্ছাসেবীরা। দাফনের আগে জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

দেশে করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। এপ্রিল মাসের শুরুতে করোনায় মৃতদের ব্যাপারে সাধারণের মনে যখন এক ধরণের নেতিবাচকতা কাজ করছিল, তখন করোনায় মৃতকে যথাযোগ্য ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদায় শেষ বিদায় জানাতে এগিয়ে আসে কোয়ান্টাম।

দেশব্যাপী এ পর্যন্ত সহস্রাধিক করোনা ও করোনা সন্দেহে মৃতকে সম্মানজনক শেষ বিদায় জানিয়েছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা। নারীদের জন্যে এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের জন্যেও কোয়ান্টাম দাফনসেবার আলাদা আলাদা টিম রয়েছে।

রংপুরে এ পর্যন্ত ১৪ জন করোনা শহিদকে পরম মমতায় শেষ বিদায় জানায় রংপুরের দাফনসেবার স্বেচ্ছাসেবীরা। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এ সেবায় গিয়ে এসেছেন তারা।

ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের এ দাফনসেবা কার্যক্রম পুরোটাই পরিচালিত হয় সদস্যদের অর্থায়নে ও শ্রমে। তারা জানা, রংপুরে দাফনসেবার প্রয়োজনে মো. রাকিব উদ্দিন আল-মামুন, সিনিয়র প্রো-অর্গানিয়ার, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মোবাইলঃ ০১৭১৭৭১৪৭৬৬- এর সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। 

রংপুর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মুক্তিযোদ্ধাসহ করোনায় মৃত ১৪ লাশ দাফন

মুগ্ধতা.কম

১ জুলাই, ২০২০ , ৯:৫০ অপরাহ্ণ

বিভাগীয় লেখক পরিষদ:
পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বিভাগীয় লেখক পরিষদ পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বুধবার শুরু হলো বিভাগীয় লেখক পরিষদ, রংপুর এর পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২০। সকালে নিজ বাড়ির উঠোনে একটি করে জামরুল, কাগজি লেবু ও ঘৃতকাঞ্চন গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রংপুর পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি আলহাজ কাজী মো. জুননুন।

পক্ষকালব‍্যাপী এ কর্মসূচীর প্রথমদিনে নগরীর দর্শনা এলাকায় সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও ছররা সম্পাদক এস এম খলিল বাবু লটকন গাছের চারা, মুলাটোল এলাকায় কবি ও ব্যাংকার হাই হাফিজ একটি দেশি লেবুর চারা, মডার্ণ এলাকায় ছড়াকার ও শিক্ষক লায়লা শিরিনা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কবি ও সম্পাদক সুশান্ত নন্দী একটি দেবদেরু গাছের চারা লাগিয়ে কর্মসূচীতে অংশ নেন।

সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ জানান, পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে আমরা সংগঠনের অনেক কর্মসূচি স্থগিত করেছি অথবা অনলাইনে করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আহবান করছি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২০ এর।

সংগঠনের সদস্য-অসদস্য নির্বিশেষে সবাই কমপক্ষে একটি করে চারাগাছ রোপন করে কর্মসূচিতে শামিল হোন- এই অনুরোধ রইল। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি ও ৮ জেলার কমিটির সদস্যদের এবং শুভাকাঙ্খীদের কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। কর্মসূচি চলবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত।

বিভাগীয় লেখক পরিষদ পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

মুগ্ধতা.কম

২৮ জুন, ২০২০ , ৭:১৯ অপরাহ্ণ

দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ালো ‘পাশে আছি’

দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ালো 'পাশে আছি'

‘হাত পেতে চাওয়া কিংবা ভিক্ষা নয় স্বাবলম্বী হতে চেষ্টা করি’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকালে দুঃস্থদের সহায়তায় এগিয়ে এলো স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘পাশে আছি।’

সংগঠনের উদ্যোগে ২৮ জুন রবিবার সকালে রংপুর নগরীর পার্বতীপুর এলাকায় কয়েকজন দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয় ব্যবসায় সামগ্রী। এসব সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ব্যাটারি চালিত ভ্যান, সেলাই মেশিন এবং নগদ টাকা।

সকালে এলাকার ঈদগাহ মাঠে এসব সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. মুস্তাফিজুর রহমান, কবি হেলেন আরা সিডনী, লেখক ও চিকিৎসক ফেরদৌস রহমান পলাশ, লেখক ও সংগঠক জাকির আহমদ, রিফাত হোসেন রিহান প্রমুখ।

সময় নগরীর পার্বতীপুর পশ্চিম পাড়া এলাকার নাজমুল হোসেন রনিকে একটি ব্যাটারি চালিত ভ্যান, শতরঞ্জি পাড়ার শিউলি বেগমকে সেলাই মেশিন এবং গনেশপুরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মর্জিনা বেগমের হাতে নগদ ১০ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়।

সংগঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা হেলেন আরা সিডনী বলেন, বরাবরই বিভিন্ন দুর্যোগে আমরা দুঃস্থদের পাশে দাঁড়াবার চেষ্টা করি। এবার করোনাকালে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারও বিভিন্ন কাজে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে অনেকের ব্যবসা। এর মধ্যেই আমরা খবর পাই, নগরীর এইসব মানুষদের খুবই সাহায্যের প্রয়োজন। যদিও আমাদের সহায়তা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংখ্যা কম, কিন্তু আমরা চেষ্টা করেছি এ তিনজনকেই এবারের মতো স্বাবলম্বী হবার পথ করে দেবার।

ভবিষ্যতে এরকম সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান ড. মোস্তাফিজার রহমান ও লেখক ফেরদৌস রহমান পলাশ।

সংগঠক জাকির আহমেদ সমস্ত ভালো উদ্যোগে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

 

দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ালো 'পাশে আছি'

মুগ্ধতা.কম

১ মে, ২০২০ , ২:৩৯ অপরাহ্ণ

চলতি সংবাদ শিরোনাম

মুগ্ধতায় চোখ রেখে এক নজরে জেনে নিন চলতি সময়ের সংবাদ শিরোনামগুলো

» দেশে গত ১০ দিনে আক্রান্ত প্রায় ৫ হাজার, মোট ৮২৩৮।। ২৪ ঘন্টায় দুজনের মৃত্যু, সনাক্ত ৫৭১ – বাংলানিউজ ও বাংলা ট্রিবিউন

» ৭ হাজার কওমি মাদরাসাকে ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা অনুদান প্রধানমন্ত্রীর – বাংলা ট্রিবিউন

» করোনা ভাইরাস : গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে সরকার – বিবিসি বাংলা

» সাতক্ষীরা: মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার বিধবা – বাংলানিউজ২৪.কম

» ইলিশ আহরণে আজ থেকে মেঘনায় নামছে জেলেরা – বাংলা ট্রিবিউন

» করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋন দিচ্ছে এডিবি – প্রথম আলো

» প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে – জাগোনিউজ২৪.কম

» করোনা মোকাবিলায় আরও সোয়া ৬ কোটি টাকা ও ১০ হাজার টন চাল বরাদ্দ – জাগোনিউজ২৪.কম

» করোনা বাতাসেও ছড়ায়, এই বাস্তবতা মানতে হবে: সায়েন্সডিরেক্ট – বাংলানিউজ২৪.কম

» টেকনাফে হানা দেওয়া পোকা পঙ্গপাল নয়: কৃষি মন্ত্রণালয় – প্রথম আলো 

» আমেরিকায় লকডাউনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিক্ষোভ – আল জাজিরা

» চীনই করোনা ছড়িয়েছে, প্রমাণ পেয়েছি: ট্রাম্প – বাংলানিউজ২৪.কম

» করোনা ভাইরাস মানুষের তৈরি, এমন প্রমাণ পাওয়া যায় নি : আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা – আল-জাজিরা

» কিম জন উনকে দুই সপ্তাহ ধরে দেখা যাচ্ছে না : পম্পেও – এনকে নিউজ

» তেলের উৎপাদন কমাতে সৌদি আরবকে ট্রাম্পের হুমকি! – বাংলানিউজ২৪.কম

 

চলতি সংবাদ শিরোনাম - ১ মে ২০২০

মুগ্ধতা.কম

৩০ এপ্রিল, ২০২০ , ১১:২১ পূর্বাহ্ণ

চলতি সংবাদ শিরোনাম 

মুগ্ধতায় চোখ রেখে এক নজরে জেনে নিন চলতি সময়ের সংবাদ শিরোনামগুলো

» পাঁচ হাজার ৫৪ জন নার্স নিয়োগের সুপারিশ পিএসসি’র – জাগোনিউজ২৪.কম

» এমপিওভুক্তির তালিকায় অযোগ্য শনাক্ত ১১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান – জাগোনিউজ২৪.কম

» করোনা ভাইরাসে মৃত বেড়ে ১৬৮, নতুন সনাক্ত ৫৬৪ – জাগোনিউজ২৪.কম

» বাংলাদেশে কোয়ারেন্টিনে আছেন ১ লাখ ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ – বিবিসি

» করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একইদিনে রাজধানীতে দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যু – ইত্তেফাক

» নতুন করে ৯৮২ কারিগরি ও মাদরাসা এমপিওভুক্ত – জাগোনিউজ২৪.কম

» করোনা: অষ্টম দেশ হিসেবে মৃতের সংখ্যা এক লাখ ছাড়ালো রাশিয়া – জাগোনিউজ২৪.কম

» সমিতির উদ্যোগ: ঋণ পেতে আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ২৮০০ আইনজীবী – জাগোনিউজ২৪.কম

» লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা: এক মাস দোকান বন্ধ, জুতার বাক্সে ২০০ গোখরা – জাগোনিউজ২৪.কম

» বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের ‘পাইপ অর্গান’: ট্রাম্প – হিন্দুস্থান টাইমস

» লকডাউন তুলে নিচ্ছে ভারত – জাগোনিউজ২৪.কম

» যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইয়েমেনে প্রথম কোভিড-১৯ মৃত্যু ধরা পড়েছে, মালদ্বীপেও একজন মারা গেছেন – বিবিসি 

» চলে গেলেন বলিউড অভিনেতা ঋষি কাপুর – ইত্তেফাক 

» চীনের ভাইরাসের ল্যাবগুলো পরীক্ষা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: পম্পেও – ইত্তেফাক 

» নির্বাচিত হলে জেরুজালেম থেকে দূতাবাস সরিয়ে নেয়া হবে না: মার্কিন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন – ইত্তেফাক 

» চীন আমাকে নির্বাচনে হারাতে চায়: ট্রাম্প – ইত্তেফাক 

 

চলতি সংবাদ শিরোনাম-৩০ এপ্রিল ২০২০

মুগ্ধতা.কম

২৯ এপ্রিল, ২০২০ , ২:২৪ অপরাহ্ণ

চলতি সংবাদ শিরোনাম

মুগ্ধতায় চোখ রেখে এক নজরে জেনে নিন চলতি সময়ের সংবাদ শিরোনামগুলো

» ভয়াল ২৯ এপ্রিল আজ: ১৯৯১ সালে ঝড়ে উপকূল লণ্ডভণ্ড হওয়ার দিন – সকল গণমাধ্যম 

» দেশে করোনায় ২৪ ঘন্টায় আরও ৮ মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৬৪১: আইইডিসিআর – বিডিনিউজ২৪.কম

» করোনায় শিক্ষা ব্যহত, মানসিক চাপে ৯১ ভাগ শিশু- তরুণ : ওয়ার্ল্ড ভিশনের জরিপ – প্রথম আলো 

» সাংবাদিক হুমায়ুন কবির (খোকন) মারা গেছেন – প্রথম আলো

» কর্মস্থলে যোগ দিয়ে পোশাককর্মী জানলেন তিনি করোনা পজেটিভ – বিডিনিউজ২৪.কম

» আগামী এক বছর কৃষি ঋণের সুদ ৪ শতাংশ – ইত্তেফাক

» ১৫ মে পর্যন্ত বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত – বিডিনিউজ২৪.কম

» বলিউড অভিনেতা ইরফান খান আর নেই – বাংলানিউজ২৪.কম

» আড়াইশ’ কারখানায় এখনও বেতন হয়নি, শিগগিরই দেওয়ার আশ্বাস – বাংলা ট্রিবিউন

» সিরিয়ায় রমজানের মধ্যেই ট্রাকবোমা হামলা, নিহত ৪৬ – প্রথম আলো

» কোভিড-১৯: যুক্তরাজ্যে আজ থেকে দিনে এক লাখ টেস্ট – বিবিসি

» আজ মাস্ক সদৃশ গ্রহাণু পৃথিবী অতিক্রম করবে – বিবিসি

» করোনা ভাইরাস : চীনের গাফিলতি তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র – বিবিসি

» করোনা ভাইরাস প্রতি বছর ফিরে আসতে পারে: চীনা গবেষণা – হিন্দুস্থান টাইমস

» পশ্চিম তীর ও জর্ডান উপত্যকায় ইসরাইলের দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেবে যুক্তরাষ্ট্র – ইত্তেফাক

 

চলতি সংবাদ শিরোনাম - ২৯ এপ্রিল ২০২০

মুগ্ধতা.কম

২৮ এপ্রিল, ২০২০ , ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

চলতি সংবাদ শিরোনাম 

মুগ্ধতায় চোখ রেখে এক নজরে জেনে নিন চলতি সময়ের সংবাদ শিরোনামগুলো-

» জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী আর নেই – প্রথম আলো 

» নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৫৪৯, মৃত ৩ – বাংলানিউজ২৪.কম

» জীবাণুনাশ ইনজেকশনের কথা ঠাট্টা করে বলা: ট্রাম্প – বাংলানিউজ২৪.কম

» রোজা সামনে রেখে দফায় দফায় বাড়া পেঁয়াজের দাম আবার কমতে শুরু করেছে – জাগোনিউজ২৪.কম

» করোনা থেকে বাঁচতে অ্যালকোহল পান, ইরানে ৭২৮ জনের মৃত্যু – জাগোনিউজ২৪.কম

» ২ মে খুল‌ছে সব কারখানা, গ্রামের শ্রমিক না আসার পরামর্শ বিকেএমইএর – জাগোনিউজ২৪.কম

» করোনা থেকে বাঁচতে আত্মগোপনে কিম! – জাগোনিউজ২৪.কম

» কিম এর স্বাস্থ্য সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে, কিন্তু এর বেশি বলা যাবে না: ট্রাম্প – এনকে নিউজ

» করোনাভাইরাসের রোগী নেই উহান শহরে: চীনা কর্তৃপক্ষ – বিবিসি 

 

চলতি সংবাদ শিরোনাম-২৮ এপ্রিল ২০২০

মুগ্ধতা.কম

২৭ এপ্রিল, ২০২০ , ৪:০৫ অপরাহ্ণ

চলতি সংবাদ শিরোনাম

মুগ্ধতায় চোখ রেখে এক নজরে জেনে নিন চলতি সময়ের সংবাদ শিরোনামগুলো-

» পরিস্থিতি না বদলালে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল কলেজ বন্ধ: শেখ হাসিনা – বিবিসি বাংলা

» মে মাসে বাংলাদেশ থেকে করোনা বিদায়ে পূর্বাভাস গবেষকদের – বাংলানিউজ২৪.কম

» কিম জং উন বেঁচে আছেন, দাবি দক্ষিণ কোরিয়ার – বাংলানিউজ২৪.কম

» করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় আরও মৃত ৭ জন, নতুন সনাক্ত ৪৯৭ – বাংলানিউজ২৪.কম

» নয়াদিল্লি : প্লাজমা দানে আগ্রহী তাবলিগের সদস্যরা – প্রথম আলো

» কারখানা খুলেছে, শ্রমিকেরা কর্মস্থলে ফিরছেন – প্রথম আলো

» চোখের মধ্যেও কয়েক সপ্তাহ টিকে থাকতে পারে করোনা: গবেষণা – বাংলা ট্রিবিউন

» মহামারি ঠেকাতে চীন থেকে ৪ বিশেষজ্ঞ ঢাকায় আসছেন – বাংলা ট্রিবিউন

» রমজানে মুসলিমদের বেশি করে ইবাদত করতে বললেন মোদি – বাংলা ট্রিবিউন

» সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেছাতে পারে এইচএসসি – জাগোনিউজ২৪.কম

» দীর্ঘদিন পর কাজে ফিরলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন – জাগোনিউজ২৪.কম

» মামলার ভার্চুয়াল শুনানির উদ্যোগ সুপ্রিম কোর্টের – জাগোনিউজ২৪.কম

» করোনার দায়িত্বে মিলবে অতিরিক্ত তিন মাসের বেতন – জাগোনিউজ২৪.কম

» নিউজিল্যান্ড থেকে আপাতত বিদায় নিয়েছে করোনা ভাইরাস – বিবিসি

» সৌদি আরবে কিশোর অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড স্থগিত – বিবিসি

» ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেন লকডাউন শিথিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে – দ্য গার্ডিয়ান

 

চলতি সংবাদ শিরোনাম

মুগ্ধতা.কম

১৪ এপ্রিল, ২০২০ , ৬:৫৩ অপরাহ্ণ

#মুগ্ধতা_সাহিত্য প্রতিযোগিতা

আমরা নিয়ে এলাম আপনার ব্যস্ততা বাড়ানোর ফন্দি! অবরুদ্ধ সময়ে বসে বসে গল্প, কবিতা আর ছড়া লিখুন। নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে পোস্ট করুন। নিচে হ্যাশট্যাগ #মুগ্ধতা_সাহিত্য দিন। এরপর আপনার কয়েকজন লেখক বন্ধুকে মেনশন করুন লিখতে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। এই সময়কালের মধ্যে আপনি যতবার ইচ্ছা লিখতে পারবেন।

লেখাগুলো নতুন হতে হবে আর পূর্বে ফেসবুক বা অন্য কোন মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া চলবে না। ইতোমধ্যে সেগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ হতে থাকবে mugdhota.com – এ।

৩০ এপ্রিলের পরে কী হবে? আমরা গল্প, কবিতা আর ছড়া-প্রত্যেক শাখা থেকে আলাদা করে কয়েকজনকে পুরস্কৃত করবো ঘোষণা দিয়ে।

তবে শুধু পুরস্কারের আশাতেই সবাই লিখবেন এমনও না, কেউ কেউ আমাদের পুরস্কারের চেয়েও বড় মানের লেখক আছেন, তারা এমনিতেই আমাদের উৎসাহিত করতে লিখবেন!

তাহলে আর দেরি করছেন কেন? শুরু করে দিন! আর হ্যাঁ, আপডেটগুলো জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন, পারলে রিকমেন্ড করুন!

দ্রষ্টব্য: যে কোন লেখা বাতিল করার ক্ষমতা মুগ্ধতা ডট কম সংরক্ষণ করে।

#মুগ্ধতা_সাহিত্য প্রতিযোগিতা

মুগ্ধতা.কম

১৩ এপ্রিল, ২০২০ , ৭:৫৯ অপরাহ্ণ

আজ বাংলা নববর্ষ : স্বাগত ১৪২৭ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জীর্ণ পুরাতনকে পেছনে ফেলে ১৪২৬ সনকে বিদায় জানিয়ে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে আজ মঙ্গলবার যুক্ত হয়েছে নতুন বছর। আজ পহেলা বৈশাখ। একটি নতুন বছরের শুভ সূচনা। শুভ নববর্ষ। স্বাগত ১৪২৭।

পহেলা বৈশাখ

বাঙালীর প্রাণের উৎসবে পরিণত হওয়া নববর্ষে এবার থাকছে না কোন বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান। ১৯৬৭ সালে শুরু করে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট কেন্দ্রীয়ভাবে বর্ষবরণ শুরুর পরে ১৯৭১ সালের পর এবারই অনুষ্ঠান বাতিল করেছে। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে শুধুমাত্র কিছু টেলিভিশন অনুষ্ঠান ছাড়া ঘরের বাইরে বিশেষ কোনো আয়োজন না রেখেই আজ মঙ্গলবার সারা দেশে উদযাপিত হবে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ। আজ সরকারি ছুটির দিন।

এবছর ডিজিটাল পদ্ধতিতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন অনুষ্ঠান সরকারি ও বেসরকারি সব টেলিভিশনে একযোগে সম্প্রচার করা হবে বলে গতকাল সোমবার জানিয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা হতে প্রচার করা হবে।

এ বছর রমনা পার্কের বটমূলে বিশ্বকবি রাবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত গান ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গেয়ে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেবেন না ছায়ানটের শিল্পীরা। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিশাল জনসমাগম এড়ানোর জন্য অনুষ্ঠানগুলো স্থগিত করা হয়েছে। চলমান দুর্যোগের সময়ে রমনার বটমূলে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হবে না বলে ১ এপ্রিল জানিয়েছিল ছায়ানট।

এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জনসমাগম এড়াতে পহেলা বৈশাখের সব অনুষ্ঠান স্থগিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিল।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুবরণ করছে। স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে দেশ ও দেশের জনগণকে করোনার ছোবল থেকে রক্ষা করা।

রাষ্ট্রপতি জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থেকে করোনা মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।

দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে বলেন, বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি জাতীয় চার নেতার প্রতি। স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহিদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। আমি স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাতে ঘাতকদের হাতে নিহত আমার মা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ভাই- মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল ও দশ বছরের ছোট্ট শেখ রাসেলকে- কামাল ও জামালের নবপরিণীতা বধু –সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, আমার চাচা মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবু নাসেরসহ সকল শহিদকে।

বাঙালির সর্বজনীন উৎসব বাংলা নববর্ষ। প্রতিটি বাঙালি আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে উদযাপন করে থাকেন এই উৎসব। এ বছর বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে পয়লা বৈশাখের বহিরাঙ্গণের সকল অনুষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এটা করা হয়েছে বৃহত্তর জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে। কারণ, ইতোমধ্যেই এই ভাইরাস আমাদের দেশেও ভয়াল থাবা বসাতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ইতঃপূর্বে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান এবং স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানও জনসমাগম এড়িয়ে রেডিও, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানও আমরা একইভাবে উদযাপন করবো।

এসময় দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ঘরে বসেই এবারের নববর্ষের আনন্দ উপভোগ করবো। কবিগুরুর কালজয়ী গান ‘‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো/মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা” গেয়ে আহ্বান করবো নতুন বছরকে। অতীতের সকল জঞ্জাল-গ্লানি ধুয়ে-মুছে আমরা সামনে দৃপ্ত-পায়ে এগিয়ে যাবো; গড়বো আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যত।

তিনি বলে, করোনা ভাইরাসের যে গভীর আঁধার আমাদের বিশ্বকে গ্রাস করেছে, সে আঁধার ভেদ করে বেরিয়ে আসতে হবে নতুন দিনের সূর্যালোকে। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ভাষায় তাই বলতে চাই:

মেঘ দেখ কেউ করিসনে ভয়
আড়ালে তার সূর্য হাসে,
হারা শশীর হারা হাসি
অন্ধকারেই ফিরে আসে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রবাসে বাঙালিরা বাংলা নববর্ষ আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করে থাকেন। রাজধানীতে রমনা পার্ক, চারুকলা চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ নগরীর নানা স্থান মানুষের ভিড়ে মুখরিত থাকে এদিনটি। গ্রামীণ মেলা, হালখাতাসহ নানা অনুষ্ঠানে গোটা দেশ মেতে উঠে। তবে এবার সবাইকে অনুরোধ করবো কাঁচা আম, জাম, পেয়ারা, তরমুজ-সহ নানা মওসুমী ফল সংগ্রহ করে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়িতে বসেই নববর্ষের আনন্দ উপভোগ করুন। আপনারা বিনা কারণে ঘরের বাইরে যাবেন না। অযথা কোথাও ভিড় করবেন না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করুন, পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করুন।

মূলত, কৃষিকাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সন গণনার শুরু মোঘল সমরাট আকবরের সময়ে। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌর সনের ওপর ভিত্তি করে প্রবর্তিত হয় নতুন এই বাংলা সন।

ইতিহাস:

১৫৫৬ সালে কার্যকর হওয়া বাংলা সন প্রথমদিকে পরিচিত ছিল ফসলি সন নামে, পরে তা পরিচিত হয় বঙ্গাব্দ নামে। কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজের সঙ্গে বাংলাবর্ষের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলেও এর সঙ্গে রাজনৈতিক ইতিহাসেরও সংযোগ ঘটেছে।

পাকিস্তান শাসনামলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের। আর ষাটের দশকের শেষে তা বিশেষ মাত্রা পায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের আয়োজনের মাধ্যমে।

দেশ স্বাধীনের পর বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীকে পরিণত হয় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। উৎসবের পাশাপাশি স্বৈরাচার-অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদও এসেছে পহেলা বৈশাখের আয়োজনে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বের হয় প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা। যা ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এ শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়।

বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে নববর্ষ উদযাপন পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের সার্বজনীন উৎসবে। পহেলা বৈশাখের ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে মেতে ওঠে সারাদেশ। কাল বর্ষবরণের এ উৎসব আমেজে মুখরিত থাকবে বাংলার চারদিক। গ্রীষ্মের খরতাপ উপেক্ষা করে বাঙালি মিলিত হবে তার সর্বজনীন এই অসাম্প্রদায়িক উৎসবে। দেশের পথে-ঘাটে, মাঠে-মেলায়, অনুষ্ঠানে থাকবে কোটি মানুষের প্রাণের চাঞ্চল্য, আর উৎসব মুখরতার বিহ্বলতা।

নববর্ষ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। জাতীয় সংবাদপত্রগুলো বাংলা নববর্ষের বিশেষ দিক তুলে ধরে ক্রোড়পত্র বের করবে। সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নববর্ষকে ঘিরে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে।

 

পহেলা বৈশাখ

মুগ্ধতা.কম

৩১ মার্চ, ২০২০ , ৫:২৬ অপরাহ্ণ

১০০ পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

রংপুরের কয়েকটি সাহিত্য-সংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের উদ্যোগে এবং ব্যক্তিগত কয়েকজনের সহযোগিতায় রংপুর নগরীর কয়েকটি এলাকা মিলে একেবারে হতদরিদ্র ১০০ পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু ও সাবান বিতরণ করা হয়েছে।

প্রথম দফায় ৪ কেজি চাল, ১ কেজি মশুর ডাল, ২ কেজি আলু ও ১ টি সাবান করে সরবরাহ করা হয়।

দ্বিতীয় দফায় চাল ডাল আলু ও সাথে তেল প্রদান করার সিদ্ধান্ত হয়।

এসব বিতরণে মৌচাক পরিবার, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ রংপুর মহানগর শাখা, জাতীয় কবিতা পরিষদ রংপুর ও পাশে আছি সংগঠন উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে।

আর্থিক সহযোগিতায় ও বিতরণে উপস্থিত ছিলেন মৌচাক প্রধান উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, গবেষক রেজাউল করিম মুকুল, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক, লেখক ও সংগঠক রানা মাসুদ, মৌচাক উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক নেত্রী আলেয়া খাতুন লাভলী, মৌচাক উপদেষ্টা ও বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রনি, জাতীয় কবিতা পরিষদ রংপুরের সাধারণ সম্পাদক মনজিল মুরাদ লাভলু, অভিযাত্রিক সংগীত একাডেমির পরিচালক গীতিকার ও শিল্পী ফারহান শাহীল লিয়ন, মৌচাক সম্পাদক রেজাউল করিম জীবন। সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন পাশে আছি সংগঠনের পক্ষে হেলেন আরা সিডনি, বিশিষ্ট ছড়াকার আসাফা সেলিম, কবি কামরুন নাহার রেনু, মৌচাক উপদেষ্টা সাহিনা সুলতানা, অভিযাত্রিক সাধারণ সম্পাদক সাঈদ সাহেদুলসহ অনেকে।

 

১০০ পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ