সাহিত্য সংবাদ

সাহিত্য সংবাদ

মুগ্ধতা.কম

৯ আগস্ট, ২০২০ , ৯:৫২ অপরাহ্ণ

ছড়াকার শহীদুর রহমান বিশুর মৃত্যুতে শোক

বিশিষ্ট ছড়াকার ও সংগঠক একেএম শহীদুর রহমান বিশু আর নেই। ৯ আগস্ট রবিবার ভোরে রংপুরের পাকপাড়ার বাসায় ইন্তেকাল করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

ছড়াকার শহীদুর রহমান

ছড়াকার শহীদুর রহমান

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৩ পুত্র সন্তান ও ২ কন্যাসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আছর কেরামতিয়া জামে মসজিদে মরহুমের নামাজের জানাযা শেষে মুন্সিপাড়া কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশে দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়েছে। জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কাজী মো. জুননুন, কবি ও সাংবাদিক মাহবুবুল ইসলাম, লেখক রানা মাসুদ, অধ্যাপক শাহ্ আলমসহ, রেজাউল করিম মুকুলসহ লেখক ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

একেএম শহীদুর রহমান বিশুর জন্ম রংপুরের মুন্সিপাড়ায় ১৯৪১ সালের ১৯ জানুয়ারী। সুস্থ সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার লক্ষে ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদ। ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। ১৯৮৪-৮৬ তে বাংলাদেশ টেলিভিশন প্রচারিত হয় শহীদুর রহমান বিশুর লেখা ও পরিচালনায় ‘রংপুরের জারী’ ও ‘নাইওরী’ গীতি আলেখ্য দু’টি। স্পর্শ নামে একটি উপন্যাস এবঙ কয়েকটি ছড়ার বই প্রকাশিত হয় তার। প্রস্তুত আছে অসংখ্য পাণ্ডুলিপি। সবশেষ তিনি ‘উত্তরমেঘ’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। এছাড়াও নিয়মিত স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক ও ছোট কাগজে ছড়া কবিতা লিখেছিলেন।  ভারতের শিলিগুড়ি, আসাম, গৌরীপুর, ঢাকা ও পাবনায় বিভিন্ন সংগঠক কর্তৃক পদকপ্রাপ্ত হয়েছেন। ২০১১ সালে তিনি পান রংপুর পৌরসভার সিনিয়র সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড এবং বিভাগীয় লেখক পরিষদের গুণী সাহিত্যিক সম্মাননা পান।

শহীদুর রহমান বিশুর মৃত্যুতে অভিযাত্রিক, বিভাগীয় লেখক পরিষদ, রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ, ছড়া সংসদ, জাতীয় কবিতা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব শোক জানিয়েছেন।

মুগ্ধতা.কম

১৪ জুলাই, ২০২০ , ৮:৫৯ অপরাহ্ণ

রংপুর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মুক্তিযোদ্ধাসহ করোনায় মৃত ১৪ লাশ দাফন

রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতালে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে করোনা যুদ্ধে শহিদ হন মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। গত ১২ জুলাই রোববার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

মৃত আবুল কাশেম রংপুর সিটি কর্পোরেশনের অধীন কেল্লাবন্দ সর্দারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। করোনাভাইরাস ছাড়াও তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

১২ জুলাই রোববার রাত বারোটার দিকে পূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন করে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন রংপুরের দাফনসেবা টিমের স্বেচ্ছাসেবীরা। দাফনের আগে জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

দেশে করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। এপ্রিল মাসের শুরুতে করোনায় মৃতদের ব্যাপারে সাধারণের মনে যখন এক ধরণের নেতিবাচকতা কাজ করছিল, তখন করোনায় মৃতকে যথাযোগ্য ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদায় শেষ বিদায় জানাতে এগিয়ে আসে কোয়ান্টাম।

দেশব্যাপী এ পর্যন্ত সহস্রাধিক করোনা ও করোনা সন্দেহে মৃতকে সম্মানজনক শেষ বিদায় জানিয়েছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা। নারীদের জন্যে এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের জন্যেও কোয়ান্টাম দাফনসেবার আলাদা আলাদা টিম রয়েছে।

রংপুরে এ পর্যন্ত ১৪ জন করোনা শহিদকে পরম মমতায় শেষ বিদায় জানায় রংপুরের দাফনসেবার স্বেচ্ছাসেবীরা। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এ সেবায় গিয়ে এসেছেন তারা।

ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের এ দাফনসেবা কার্যক্রম পুরোটাই পরিচালিত হয় সদস্যদের অর্থায়নে ও শ্রমে। তারা জানা, রংপুরে দাফনসেবার প্রয়োজনে মো. রাকিব উদ্দিন আল-মামুন, সিনিয়র প্রো-অর্গানিয়ার, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মোবাইলঃ ০১৭১৭৭১৪৭৬৬- এর সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। 

রংপুর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মুক্তিযোদ্ধাসহ করোনায় মৃত ১৪ লাশ দাফন

মুগ্ধতা.কম

১ জুলাই, ২০২০ , ৯:৫০ অপরাহ্ণ

বিভাগীয় লেখক পরিষদ:
পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বিভাগীয় লেখক পরিষদ পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বুধবার শুরু হলো বিভাগীয় লেখক পরিষদ, রংপুর এর পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২০। সকালে নিজ বাড়ির উঠোনে একটি করে জামরুল, কাগজি লেবু ও ঘৃতকাঞ্চন গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রংপুর পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি আলহাজ কাজী মো. জুননুন।

পক্ষকালব‍্যাপী এ কর্মসূচীর প্রথমদিনে নগরীর দর্শনা এলাকায় সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও ছররা সম্পাদক এস এম খলিল বাবু লটকন গাছের চারা, মুলাটোল এলাকায় কবি ও ব্যাংকার হাই হাফিজ একটি দেশি লেবুর চারা, মডার্ণ এলাকায় ছড়াকার ও শিক্ষক লায়লা শিরিনা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কবি ও সম্পাদক সুশান্ত নন্দী একটি দেবদেরু গাছের চারা লাগিয়ে কর্মসূচীতে অংশ নেন।

সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ জানান, পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে আমরা সংগঠনের অনেক কর্মসূচি স্থগিত করেছি অথবা অনলাইনে করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আহবান করছি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২০ এর।

সংগঠনের সদস্য-অসদস্য নির্বিশেষে সবাই কমপক্ষে একটি করে চারাগাছ রোপন করে কর্মসূচিতে শামিল হোন- এই অনুরোধ রইল। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি ও ৮ জেলার কমিটির সদস্যদের এবং শুভাকাঙ্খীদের কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। কর্মসূচি চলবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত।

বিভাগীয় লেখক পরিষদ পক্ষকালব‍্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন